বর্জ্যনির্ভর সার কারখানা চালু
চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কেরু চিনিকলের আওতাধীন আকন্দবাড়িয়া জৈবসার কারখানা আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। এ কারখানা চিনিকলের উপজাত ও ডিস্টিলারি কারখানার বর্জ্যে চলবে।
শুক্রবার দুপুর সাড়ে চারটার দিকে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এ কারখানা উদ্বোধন করেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকার দেশে নতুন-নতুন শিল্প-কারখানা গড়ে তুলছে। যার ধারাবাহিকতায় চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা আকন্দবাড়িয়ায় পরিবেশ বান্ধব জৈবসার কারখানা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।”
মন্ত্রী বলেন, “কৃষকদের রাসায়নিক সার ব্যবহারের পরিবর্তে জমিতে জৈবসার ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের সাংসদ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একেএম দেলোয়ার হোসেন, চুয়াডাঙ্গা ২ আসনের সাংসদ হাজি আলি আজগর টগর, জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসাইন, পুলিশ সুপার রাশিদুল হাসান, জেলা পরিষদ প্রশাসক মাহফুজুর রহমান মনজু, চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান প্রমুখ।
কারখানা সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে জৈবসার কারখানাটি প্রতিষ্ঠার জন্য ৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। দর্শনা কেরু চিনিকলের আকন্দবাড়িয়া বীজ উৎপাদন খামারের নিজস্ব জমির ওপর জৈবসার কারখানা নির্মাণ করা হয়। কারখানায় ভারতের টরিও চিম লিগাল সার্ভিস প্রাইভেট লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় মেশিনারিজ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়। এ সার কারখানা থেকে বছরে ৯ হাজার মেট্রিক টন সার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে করপোরেশন।
সূত্র আরও জানায়, সার তৈরির প্রধান কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করা হবে চিনিকলের উপজাত প্রেসমাড ও ডিষ্টিলারি কারখানার বর্জ্য পেন্টওয়াশ। কাঁচামাল হিসেবে প্রতি বছর ১৮ হাজার মেট্রিক টন প্রেসমাড ও ৪০ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য পেন্টওয়াশ ব্যবহার করা হবে সার উৎপাদনে। দেশের সব চিনিকল থেকে পেন্টওয়াশ ও প্রেসমাড সংগ্রহ করা হবে। এ দুটি বর্জ্য ব্যবহার করে অ্যারবিক কম্পোসটিং পদ্ধতিতে পরিবেশ বান্ধব জৈব সার উৎপাদন করা হবে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/কেজেএইচ
নিউজবাংলাদেশ.কম








