News Bangladesh

|| নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৮:৩১, ২১ এপ্রিল ২০১৫
আপডেট: ০৬:৩০, ১৯ জানুয়ারি ২০২০

এবার ৩০ হাজার জনের হজে যাওয়া অনিশ্চিত

এবার ৩০ হাজার জনের হজে যাওয়া অনিশ্চিত

 

ঢাকা: মুয়াল্লেম ফি জমা না দেওয়ায় ২০১৫ সালে নিবন্ধিত হজযাত্রীদের মধ্যে ৩০ হাজার জন এবার হজে যেতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন ধর্মসচিব চৌধুরী মো. বাবুল হাসান। এর মধ্যে নিবন্ধনকৃত ২০ হাজার এবং হজের টাকা জমা দিয়েছেন এমন দশ হাজার জন এ তালিকায় রয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে হজ মন্ত্রণালয়ে ‘হজের জন্য অতিরিক্ত নিবন্ধন বিষয়ক’ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, “নিয়ম অনুযায়ী এক লাখ এক হাজার ৭৫৮ জন প্রতিবছর হজে যাওয়ার বিধান করে দিয়েছে সৌদি সরকার। কিন্তু এবছর ৩০ হাজার বেশি হজযাত্রী হজে যাওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন।”

ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন, “২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে হজে যাওয়ার জন্য নিয়তকারী নারী ও পুরুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিগত কয়েক বছরে হজ ব্যবস্থপনা ভালো হওয়া, দেশের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থাপনার উন্নতি, বেশিসংখ্যক হজ এজেন্সি থাকা এবং হজ যাত্রীদের রেজিস্ট্রেশন চালু হওয়ায় সরকারের উপর আস্থা তৈরি হয়েছে।"
তিনি বলেন, ‍“চলতি বছর বাংলাদেশে হজ যাত্রী কোটা এক লাখ এক হাজার ৭৫৮ জন। গত কয়েক বছর ধরে এ কোটা বলবৎ ছিল। গত বছর ৮ ডিসেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অনুমোদিত হজ প্যাকেজে হজ যাত্রীর কোটা ছিলো ১০ হাজার। বেসরকারি কোটা ছিলো ৯১ হাজার ৭৫৮ জন।”

এ বছর হজে যেতে পারবেন না, তাদের ধৈর্য্য ধরার অনুরোধ করে ধর্মমন্ত্রী আরো বলেন, “আগামী বছর এ সব হজযাত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”

এসময় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, “গত ২২ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি হজযাত্রী বৃদ্ধি করা হয়। এতে ৭ হাজার হজযাত্রী বেসরকারি এজেন্সীদের দেয়া হয়। এর ফলে সরকারি হজ্জযাত্রীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৩ হাজার এবং বেসরকারি কোটা হবে ৯৮ হাজার ৭শ ৫৮ জন “

ধর্ম মন্ত্রণালয় ও হজ অফিস সূত্র জানায়, চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে হজ করতে পারবেন এক লাখ ১ হাজার ৭৫৮ জন। এর মধ্যে নির্ধারিত সময় ১ মার্চ পর্যন্ত নিবন্ধন ও ব্যাংকে মোয়াল্লেম ফি জমা দিয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ১২ জন হজযাত্রী। এ ছাড়া হজে পাঠানোর নাম করে আরও ১৬ হাজার হজযাত্রীর কাছে টাকা আদায় করেছে কিছু হজ এজেন্সি। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ হজ কোটা বাড়াতে সৌদি আরবের কাছে আবেদন করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

চলতি বছরের ১ মার্চ হজের নাম নিবন্ধন কার্যক্রমে হজযাত্রীর কোটা পূরণ হয়ে যাওয়ায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্ভার বন্ধ হয়ে যায়। ওইদিন সর্বশেষ ৯১ হাজার ৯০৮ জনের নাম নিবন্ধন হয়।

রেজিস্ট্রেশন না করে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ায় সৃষ্ট জটিলতায় যারা হজে যেতে পারছেন না। সরকার তাদের দায়ভার গ্রহণ করবে না বলে জানান সচিব।

নিউজবাংলাদেশ.কম/টিআইএস/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়