সুষ্ঠু নির্বাচনে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: খাদ্যমন্ত্রী
ঢাকা: অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাড. কামরুল ইসলাম।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের হলরুমে বঙ্গমাতা পরিষদ আয়োজিত ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার রক্তের ঋণ শোধ হবে না কোনো দিন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা জানান।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। ঢাকা-চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছে। কিন্তু এ পরিবেশকে নষ্ট করার জন্য একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে।”
তিনি বলেন বলেন, “খালেদা জিয়ার গায়ে পোড়া দুর্গন্ধ লেগে আছে। তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় নামলে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট হবে। এজন্য তিনি মানুষের রোষানলেও পড়তে পারেন।”
নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা হচ্ছে অভিযোগ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি এবং তথাকথিত কিছু বুদ্ধিজীবী নির্বাচনী পরিবেশটাকে কলুষিত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সরকার বদ্ধপরিকর সর্বজন গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন করতে।”
তিনি আরো বলেন, “যারা মুজিবনগর সরকারকে স্বীকার করতে চায় না তারা বাংলাদেশকে স্বীকার করে না। আর এ কারণেই যখন সরকার বদল হয়েছে সঙ্গে সঙ্গে পাঠ্যসূচি পরিবর্তন করে নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানতে দেয়া হয়নি।”
নতুন প্রজন্মকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, “একত্তরের ঘাতক ও মুজিবনগর সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে প্রকৃত ইতিহাস জানতে দেয়া হয়নি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সঠিক ইতিহাস জেনে প্রকৃত মানুষ হিসেবে বড় হওয়ার সুযোগ তারা পাচ্ছে।”
তিনি আরো বলেন, “নয় মাস যুদ্ধ করার পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেখানে আত্মসমর্পণ করেছিল জিয়াউর রহমান সেখানে পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার জন্য শিশুপার্ক নির্মাণ করেছেন। তিনি এটা অন্য কোথাও করতে পারতেন।”
জিয়াউর রহমান ছিলেন সিআইএয়ের এজেন্ট মন্তব্য করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “৭৫ এর পরবর্তীতে তিনি যে সব কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন তা কোনো প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা করতে পারেন না।”
তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে, খুনিদের বিদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। আমাদের ভুল ছিল। দীর্ঘদিন আমরা বুঝতে পারিনি জিয়াউর রহমান প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কীনা।”
আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বঙ্গমাতা পরিষদের সভাপতি মোজাফফর হোসেন পল্টু, অধ্যাপক ড. হোসেন মনসুর, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সদস্য এম এ করিম প্রমুখ।
নিউজবাংলাদেশ.কম/টিএ/এটিএস
নিউজবাংলাদেশ.কম








