স্বাধীনতা দিবসে বিএনপির দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
ফাইল ছবি
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বছরব্যাপী উদযাপনের অংশ হিসেবে দুই দিনব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
বুধবার (২৫ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো দলীয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব কর্মসূচির কথা জানানো হয়।
ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ২৬ মার্চ সূর্যোদয়ের সাথে সাথে নয়াপল্টনস্থ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশব্যাপী সকল দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হবে।
সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিএনপির পক্ষ থেকে বীর শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার ভোর ৫টায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর দলের পক্ষ থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানো হবে। স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় নেতৃবৃন্দ রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।
আরও পড়ুন: ২৫ মার্চ নয়, ২৭ মার্চ বিএনপির আলোচনা সভা
মাজার প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠের পাশাপাশি দিনব্যাপী কোরআনখানির আয়োজন করবে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল। একই স্থানে ওলামা দলের উদ্যোগে বিশেষ দোয়া মাহফিলও অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী প্রথমে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং পরবর্তীতে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এরপর পর্যায়ক্রমে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও অঙ্গ-সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হবে।
স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরতে আগামী ২৭ মার্চ শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বিএনপি। এর আগে ২৫ মার্চ এই সভা অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে তারিখ পরিবর্তন করে ২৭ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকবেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বুদ্ধিজীবীরা বক্তব্য রাখবেন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি সারাদেশে জেলা, মহানগর ও উপজেলা পর্যায়েও অনুরূপ কর্মসূচির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








