স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও ঐক্যের আহ্বান
ফাইল ছবি
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সর্বস্তরের জনগণ এবং প্রবাসে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তা এবং পৃথক এক বিবৃতিতে তিনি এই অভিনন্দন জানান।
শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী ২৬ মার্চকে জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর শহিদদের, যাদের মহান আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। একইসঙ্গে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিতা মা-বোন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সকল মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
আরও পড়ুন: ২৫ মার্চের গণহত্যা সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করে। স্বাধীনতার মূল লক্ষ্যই ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে দেশের সকল নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয় অগ্রগতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রিয় মাতৃভূমির উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করতে হলে জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করতে হবে। তিনি গুরুত্বারোপ করেন যে, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের মূল তাৎপর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে সকলকে দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে হবে।
একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন।
পরিশেষে, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করেন তিনি।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








