News Bangladesh

|| নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৪:৫১, ১৯ এপ্রিল ২০১৫
আপডেট: ২৩:১৫, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

নিকুঞ্জে লেক ভরাটের দায়ে জরিমানা

নিকুঞ্জে লেক ভরাটের দায়ে জরিমানা

ঢাকা: ঢাকার জোয়ার সাহারা মৌজার নিকুঞ্জ আবাসিক এলাকায় অবস্থিত লেক অবৈধভাবে বালি দ্বারা ভরাট করার দায়ে এবিএম শামসুদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টদের ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমান করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

রোববার পরিবেশ অধিদপ্তরে অভিযুক্তদের তলব করে শুনানি গ্রহণ শেষে উক্ত জরিমানা করা হয়।

অভিযুক্তদের লেকের ভরাট করা অংশ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাবরিন সুলতানা জানান, গিভেন্সী গ্রুপ চেয়ারম্যান এবং বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী অভিযুক্ত এবিএম শামসুদ্দিনের কাছে লেক সংশ্লিষ্ট এ জমি বিক্রি করেন।

ক্রয়সূত্রে আনোয়ার লেকের নিকটবর্তী প্রায় ৫.১২  একর জমির মালিক হলেও পরে বিভিন্ন সময়ে তার ক্রয়কৃত জমি হতে কিছু জমি বন্ধু-বান্ধবের কাছে বিক্রি করে দেন। তার কাছ হতে ১৫.৫৮ শতাংশ জমি এবিএম শামসুদ্দিন কেনেন। আনোয়ার উল আলম চৌধুরীর শ্যালক মুন্সীগঞ্জের মেয়র মো. শাহীনও এর কিছু অংশের মালিক।

রেকর্ডপত্রের বরাত দিয়ে সূত্র জানায়, ঢাকা মহানগর জরিপে তার দাগভুক্ত এ জমির অধিকাংশই নিম্ন জলাভূমি এবং ডোবা শ্রেণির।

সূত্র আরও জানায়, নিকুঞ্জ এলাকার লেক ভরাটের বিরুদ্ধে প্রতিকার চেয়ে নিকুঞ্জ আবাসিক এলাকার সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম হায়দার পরিবেশ অধিদপ্তরে এবং স্থানীয় থানায় অভিযোগ করেন।

এছাড়া একই বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ হাইকোর্টে একটি রিট করেন।

উক্ত রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট পরিবেশ অধিদপ্তর, জোয়ারসাহারা থানা ও রাজউককে এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয় এবং অভিযুক্তকে সব ধরনের ভরাট কার্যক্রম হতে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে অভিযুক্তগণ উক্ত ভরাটকাজ চালিয়ে যায় বলে জানা যায়।

সাবরিনা জানান, এ বিষয়ে আদালত অবমাননা রুল হলে বিষয়টি পুনঃতদন্ত করে লেক ভরাটের সত্যতা পাওয়া যায় এবং অভিযুক্তদের পরিবেশ অধিদপ্তরে তলব করে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুসারে লেক ও জলাশয় ভরাট না করা সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞার আওতায় আইন ভঙ্গের দায়ে উক্ত জরিমানা করা হয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/কেজেএইচ

নিউজবাংলাদেশ.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়