জামিন পেলেও কারামুক্ত হচ্ছেন না এ বি এম খায়রুল হক
ফাইল ছবি
জুলাই আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি এবং রাজউকের প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা পৃথক ৫টি মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক।
রবিবার (১৫ মার্চ) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের দেওয়া ৭ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশের মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে গত ৪ মার্চ একই বেঞ্চ চার মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে জামিন দেন।
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে পুলিশ খায়রুল হককে গ্রেফতার করে। এরপর তাকে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় আসামি দেখানো হয়। এর পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আরও চারটি মামলা দায়ের করা হয়।
তাদের মধ্যে একটি মামলা তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন দায়ের করেন। একই অভিযোগে ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভুঁইয়া এবং একই দিনে বন্দর থানায় নুরুল ইসলাম মোল্লা পৃথক মামলা দায়ের করেন। এছাড়া প্লট জালিয়াতির অভিযোগে ৪ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একটি মামলা দায়ের করে।
আরও পড়ুন: দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন
নিম্ন আদালতে এই মামলাগুলোর জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর সাবেক প্রধান বিচারপতি হাইকোর্টে জামিনের জন্য আবেদন করেন। আদালত পাঁচ মামলায় জামিন প্রশ্নে রুল জারি করে। এরপর ১১ মার্চ বিধিবহির্ভূতভাবে রাজউকের প্লট গ্রহণ সংক্রান্ত দুদকের মামলায় হাইকোর্ট তাকে জামিন দেন। তবে যাত্রাবাড়ী থানার হত্যাকাণ্ডের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো থাকায় এই মুহূর্তে তিনি কারামুক্তি পাননি।
খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু এবং ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান।
দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় খায়রুল হকসহ মোট আটজনকে আসামি করা হয়। অন্য আসামিরা হলেন: রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নুরুল হুদা, সাবেক সদস্য (অর্থ) ও সদস্য (এস্টেট) আ ই ম গোলাম কিবরিয়া, সাবেক সদস্য (অর্থ) মো. আবু বক্কার সিকদার, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সিকদার, সাবেক সদস্য (এস্টেট) আখতার হোসেন ভুঁইয়া, সাবেক যুগ্মসচিব ও সদস্য (উন্নয়ন) এম মাহবুবুল আলম এবং সদস্য (প্রশাসন ও ভূমি) নাজমুল হাই।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








