শ্রমিকের দক্ষতা বাড়াতে সিইবিএআইয়ের যাত্রা শুরু
ঢাকা: তৈরি পোশাক খাতে শ্রমিকের দক্ষতা বাড়াতে যাত্রা শুরু করলো সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর বাংলাদেশ অ্যাপারেল ইন্ডাস্ট্রি (সিইবিএআই)। সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (সিডা) ও ক্রেতা প্রতিষ্ঠান এইচ অ্যান্ড এমের আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারারস অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) ও ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন (আইএলও) যৌথ উদ্যোগে এ প্রতিষ্ঠানটি চালু করেছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেলে সোনারগাঁওয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এ উদ্যোগের উদ্বোধন করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রানা প্লাজা ধসের পর আমরা কঠিন সময় পার করেছি। এ ক্ষতি কাটাতে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যার ধারাবাহিকতার একটি সিইএবিএআই। যা আজ তা বাস্তবে রূপান্তরিত হলো।
তিনি বলেন, এ প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি তৈরি পোশাক খাতের জন্য ‘থিংক ট্যাংক’ হিসেবে কাজ করবে।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, তৈরি পোশাক খাত থেকে রপ্তানির পরিমাণ একসময় হাজার ডলার থাকলেও বর্তমানে তা শত কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এ ধরনের উদ্যোগ আগামীতে রপ্তানির পরিমান আরও বাড়াতে সাহায্য করবে।
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে তৈরি পোশাক খাতের বাজারে বাংলাদেশের শেয়ার ৫ শতাংশ উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ শেয়ার ৮ শতাংশে উন্নীত করা গেলে ২০২১ সালের মধ্যে আমরা ৫০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হবো। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সিইবিএআই দেশের গার্মেন্ট শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়িয়ে উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করবে। আন্তর্জাতিকভাবে বাজার সম্প্রসারণ করে এর মধ্য দিয়ে রপ্তানি আরও বৃদ্ধি পাবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপসহ বিশ্বের প্রধান বাজারে পোশাকের দাম প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশি পোশাক। একইসাথে এ সময়ে আমাদের গার্মেন্ট ইন্ডাস্ট্রিও বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
সিইবিএআই সম্পর্কে শাহরিয়র আলম বলেন, আমি মনে করি এ প্রতিষ্ঠানকে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সম্পৃক্ত করে দেয়া উচিত, এতে প্রতিষ্ঠানটির উৎকর্ষতা আরও বাড়বে।
আতিকুল ইসলাম বলেন, এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য হবে শ্রমিকের দক্ষতা বাড়িয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়নো। এছাড়া প্রয়োজনে গার্মেন্ট খাতের উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে পররাষ্ট প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি কাজী আকরাম, আইএলও ডিরেক্টর শ্রীনিবাস রেড্ডি, ক্রেতা দেশসমূহের রাষ্ট্রদূত, বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজবাংলাদেশ.কম/জেএস/এজে
নিউজবাংলাদেশ.কম








