পরিসংখ্যানে এগিয়ে বাংলাদেশ
ঢাকা: আগামীকাল শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে সফরকারী পাকিস্তানের পরীক্ষা নেবে বাংলাদেশ।
তার আগে দারুণ আত্মবিশ্বাসী মাশরাফি মর্তুজা বাহিনী। সাকিব হুঙ্কার ছাড়ছেন, পাকিস্তানকে হারানোর এটাই সেরা সুযোগ। সংযম রেখেও দৃপ্ত কণ্ঠে চন্ডিকা হাথুরুসিংহেও একই ঘোষণা দিচ্ছেন। আশার বাণী শোনাচ্ছেন মুশফিকুর রহিম-সাব্বির রহমানরাও। এখন প্রশ্ন হলো আচ্ছা, এগুলো সবই কি ফাঁপাবুলি? সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স কিন্তু তা বলছে না। বরং গেল পাঁচ বছরের পরিসংখ্যানে পাকিস্তানের চেয়ে বেশ কিছুটা এগিয়ে বাংলাদেশ।
১. বাংলাদেশ দলের স্কোয়াডে থাকা ১৫ ক্রিকেটারের মোট ম্যাচ সংখ্যা ৮৬৭টি। গড়ে প্রত্যেকে ম্যাচ খেলেছেন ৬২টি। অন্যদিকে পাকিস্তান দলের স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের মোট ম্যাচ ৫৪০টি। গড়ে একেকজন ম্যাচ খেলেছেন ৩৬টি।
২. বাংলাদেশ দলে সেঞ্চুরি ম্যাচ খেলা ক্রিকেটারের সংখ্যা পাঁচ জন (মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ)। অন্যদিকে পাকিস্তান দলে ১০০ ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার দুই জন (মোহাম্মদ হাফিজ ও সাঈদ আজমল)।
৩. বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মোট রান সংখ্যা ১৭ হাজার ৭৯১। এর বিপরীতে পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের মোট রানের সংখ্যা ৯ হাজার ১১৬। অর্থাৎ, মোট রানের হিসেবেও অনেক এগিয়ে টাইগার ক্রিকেটাররা।
৪. বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং গড় ২৮.৪২। অন্যদিকে পাকিস্তান দলের ব্যাটিং গড় ২৫.৭৫।
৫. পাকিস্তানের বর্তমান দলটির ব্যাটসম্যানরা সেঞ্চুরি করেছেন ১১টি। এর মধ্যে মোহাম্মদ হাফিজের একারই ৯টি। বাকি দুটি ফাওয়াদ আলম ও সরফরাজ আহমেদের। অন্যদিকে বাংলাদেশ দলের ব্যাটসম্যানরা সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন ১৫টি। সেঞ্চুরি করার অভিজ্ঞতা আছে পাঁচ জনের।
৬. বোলিংয়ে বাংলাদেশ বোলারদের উইকেট সংখ্যা ৫৬৪টি। আর পাকিস্তানের বোলারদের উইকেট সংখ্যা ৪৮৪টি। পাঁচ উইকেট নেয়ার ক্ষেত্রেও সাকিব-মাশরাফিরা এগিয়ে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এফকে
নিউজবাংলাদেশ.কম








