গাজায় পানি আনতে গিয়ে ইসরায়েলি হামলায় ৬ শিশুসহ নিহত ১০
ছবি: সংগৃহীত
গাজার মধ্যাঞ্চলের নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে একটি পানি সংগ্রহ কেন্দ্রে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৬ জনই শিশু।
সোমবার (১৪ জুলাই) স্থানীয় বাসিন্দা ও চিকিৎসা সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে রবিবার (১৩ জুলাই), যেদিন সারাদিনব্যাপী গাজার বিভিন্ন আবাসিক এলাকা ও শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় মোট ৯২ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারান। এর মধ্যে শুধু গাজা সিটিতেই নিহত হয়েছেন ৫২ জন।
আল জাজিরার গাজা প্রতিনিধি হানি মাহমুদ জানান, গোটা গাজাজুড়েই ভয়াবহ পানি সংকট চলছে। অনেক জায়গার পানির উৎস দূষিত হওয়ায় মানুষ ঝুঁকি নিয়েই সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছে। নুসেইরাতে ঠিক এমন অবস্থায় পানি আনতে গিয়েই প্রাণ হারায় শিশুরা।
এদিকে, ইসরায়েল গাজার সাধারণ জনগণকে দক্ষিণাঞ্চলে সরে যেতে বাধ্য করার কৌশল গ্রহণ করেছে এবং সামরিক অভিযান আরও জোরদার করছে। এই প্রেক্ষাপটে হতাহতের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।
আরও পড়ুন: শতবর্ষে অসুস্থ মাহাথির, হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি
এর আগের দিন, শনিবার (১২ জুলাই) গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় আরও অন্তত ১১০ জন নিহত হন। শুধু রাফাহ শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ)-এর ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের সামনে খাবারের জন্য অপেক্ষমান মানুষের ওপর হামলায় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়।
আল জাজিরার তথ্যমতে, মে মাসের শেষ দিকে গাজায় জিএইচএফ ত্রাণ বিতরণ শুরু করার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান ইসরায়েলি অভিযানে ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে কমপক্ষে ৬৭ জন শিশু মারা গেছে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি








