‘বিএনপি মানুষ পুড়িয়ে মারার কালচার শুরু করেছে’
ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষ পুড়িয়ে মারার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন, বিএনপি মানুষ পুড়িয়ে মারার কালচার শুরু করেছে- এটা খুবই দুঃখজনক। আমার প্রশ্ন হচ্ছে- একটা রাজনৈতিক দল কিভাবে জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে মারে?
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময়ের পরে এসব কথা বলেন। এর আগে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা ফুলের তোড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, “গত তিন মাসে দেশের মানুষের উপর দিয়ে অনেক ঝড় বয়ে গেছে এবং চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি থেকে ৯২ দিন জনগণ ‘জুলুম’ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এই সময়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যাসহ বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে, যা কারো কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।”
বিএনপি-জামায়াত চক্র ট্রাক-বাস এবং ট্রেনে আগুন দিয়ে ধ্বংসাত্মক কাজ করে সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষতি করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তারা শুধুমাত্র পাবলিক গাড়ি পুড়িয়েছে তা নয়, তারা নিম্ন ও মধ্য এবং সাধারণ মানুষকেও পুড়িয়ে মেরেছে।”
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, “জনগণের কল্যাণ এবং তাদের স্বার্থ রক্ষার্থে আমার দল কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু আন্দোলনের নামে জীবিত মানুষ পুড়িয়ে মারার মত দুঃখজনক ঘটনা আমরা অতীতে কখনো দেখিনি।”
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, এইচ টি ইমাম, ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, ড. মশিউর রহমান, অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী, কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ ও ড. হোসেন মনসুর, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহারা খাতুন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম, ড. হাসান মাহমুদ, খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ও মুকুল বোস প্রমুখ।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএম
নিউজবাংলাদেশ.কম








