বাংলাদেশে নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা নজরদারি
বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত বিষয়ে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়েছে নিউজিল্যান্ড।
দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশে গভর্নমেন্ট কমিউনিকেশন সিকিউরিটি ব্যুরো (জিসিএসবি) পরিচালিত ইলেকট্রনিক গুপ্তচরবৃত্তির মাধ্যমে এ সংক্রান্ত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়।
এসব নজরদারির তথ্য ওয়ান ইলেভেনের পর জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ব্যবহার করা হয় বলে নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসএ) সাবেক কর্মী এডোয়ার্ড স্লোডেনের সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অনলাইন সংবাদমাধ্যম দি ইন্টারসেপ্টের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড এসব জানিয়েছে।
নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডের বিশ্লেষণধর্মী ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- ২০১৩ সালের এপ্রিলে এনএসএর রিপোর্টে বাংলাদেশে গুপ্তচরবৃত্তি চালানোর সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সংক্রান্ত এসব গোয়েন্দা তথ্য নিউজিল্যান্ডের জিসিএসবির কাছ থেকে পাওয়া বলে এনএসএর রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
রিপোর্টে আরো বলা হয়, জিসিএসবির নেতৃত্বে ২০০৪ সাল থেকে পরিচালিত সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানে বাংলাদেশে গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো হয়। জিসিএসবি সাংকেতিক ভাষায় এসব তথ্য মার্কিন গোয়েন্দাদের হাতে তুলে দেয়।
জিসিএসবির সদস্যদের সংগৃহীত এসব গোপন তথ্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাসহ বিদেশি নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকেও সরবরাহ করা হয়। সম্প্রতি নির্যাতন ও রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশের গোয়েন্দা এবং নিরাপত্তা সংস্থার জড়িত থাকার বিষয়ে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন রিপোর্ট দিয়েছে। ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এসজে
নিউজবাংলাদেশ.কম








