News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৮:৩৬, ২৬ মার্চ ২০২৬
আপডেট: ০৮:৩৯, ২৬ মার্চ ২০২৬

৫৬তম মহান স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

৫৬তম মহান স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ছবি: সংগৃহীত

৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের প্রথম প্রহরে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে পৌঁছান রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধান। এরপর ভোর ৬টায় স্মৃতিসৌধের মূল বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন (গার্ড অব অনার) প্রদান করে এবং বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। 

রাষ্ট্রীয় এই আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়ে পুনরায় শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তিন বাহিনীর প্রধানসহ সরকারের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাভারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা ফেরার পথে সকাল ৭টার মধ্যে তিনি শেরেবাংলা নগরে মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এরপর সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত বিশেষ ‘কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে’ মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন।

আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও ঐক্যের আহ্বান

এদিকে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

বাণীতে তিনি বলেন, ২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন। গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তিনি স্মরণ করেন জাতির শ্রেষ্ঠ সূর্যসন্তানদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। একইসঙ্গে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিতা মা-বোন ও স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জানানোর পর ভোর থেকেই সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ঢল নেমেছে সাধারণ মানুষের, যাদের উদ্দেশ্য বীর শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন। 

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করার মধ্য দিয়ে মুক্তিকামী মানুষকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়