News Bangladesh

|| নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৩:১১, ১৫ এপ্রিল ২০১৫
আপডেট: ০৪:৩৮, ১৯ জানুয়ারি ২০২০

স্বর্ণ আত্মসাৎ, এসআইসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

স্বর্ণ আত্মসাৎ, এসআইসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

ঢাকা: চোরাচালানের স্বর্ণের বার আত্মসাতের ঘটনায় পুলিশের সাবেক এসআই মঞ্জুরুল ইসলামসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কমিশন সভায় ওই চার্জশিট (অভিযোগপত্র) অনুমোদন দেওয়া হয়।

শিগগিরই চার্জশিটটি আদালতে দায়ের করা হবে বলে দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদক উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম মামলার তদন্তকাজ শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিলে কমিশন দণ্ডবিধি ৪০৯/৪০৬/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় চার্জশিট অনুমোদন দেয়।

চার্জশিট ভুক্তরা হলেন- রামপুরা থানার সাবেক এসআই (সাময়িক বরখাস্ত) মঞ্জুরুল ইসলাম, সাময়িক বরখাকৃত কনস্টেবল আকাশ চৌধুরী, ওয়াহেদুল ইসলাম, পুলিশের সোর্স মাহফুজ আলম রনি এবং মাইক্রোবাস চালক মো. সজিব সিকদার।

অভিযোগের বিষয়ে দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৩ মার্চ সোর্স রনির তথ্যের ভিত্তিতে এসআই মঞ্জুরুল, কনস্টেবল আকাশ ও ওয়াহেদুল বনশ্রী এলাকা থেকে একটি প্রাইভেটকার জব্দ করেন। এসময় প্রাইভেটকারের আরোহীরা পালিয়ে যান। গাড়ি তল্লাশি করে ২৩৫টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। কিন্তু পুলিশ দল স্বর্ণগুলো জমা না দিয়ে নিজেদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা করে নেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে জানাজানি হলে রামপুরা থানার পুলিশ কর্মকর্তারা বিপাকে পড়েন। পরে ১৬ মার্চ কৌশলে প্রাইভেটকারের সিটের মধ্যে ৭০টি স্বর্ণে বার লুকিয়ে রেখে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তা উদ্ধারের নাটক সাজান।

সূত্র আরো জানায়, ঘটনার পরবর্তী সময়ে প্রাইভেটকার চালক সমীর বিশ্বাস এবং স্বর্ণের বাহক জাহিদ হোসেন ওরফে মাহিনকে আটক করে দুইদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। দুই দিনের রিমান্ডের পর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে ১৬৪ ধারার স্বীকারউক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে দুদকের অনুমতি সাপেক্ষে রামপুরা থানায় ২০১৪ সালের ৭ এপ্রিল রাতে পুলিশের এসআইসহ ওই পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তী সময়ে মামলাটি দুদকের উপপরিচালক যতন কুমার রায় অভিযোগটি তদন্ত করেন। তদন্তকালীন সময়ে তিনি পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখার অর্ধ শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদও করেন তিনি।

নিউজবাংলাদেশ.কম/টিআইএস/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়