News Bangladesh

|| নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৮:০৮, ১০ এপ্রিল ২০১৫
আপডেট: ০২:৩৪, ১৯ জানুয়ারি ২০২০

‘মানবাধিকার সংগঠনগুলো সম্পূর্ণভাবেই সুবিধাবাদী’

‘মানবাধিকার সংগঠনগুলো সম্পূর্ণভাবেই সুবিধাবাদী’

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের সমালোচনা করে বলেছেন, ‘এসব সংগঠন মানবাধিকার রক্ষার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নয়। তারা সম্পূর্ণভাবেই সুবিধাবাদী। তারা অপরাধীদের অধিকারের ব্যাপারে উচ্চকণ্ঠ হলেও সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সাম্প্রতিক সহিংসতার ব্যাপারে নীরব।

শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রসঙ্গত, জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনারের কার্যালয় বৃহস্পতিবার যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি স্থগিতের আহ্বান জানায়।

শেখ হাসিনা বলেন, “বিএনপি ও স্বাধীনতা বিরোধী দলগুলো ২০১৩ সাল থেকে নিরপরাধ জনগণের উপর যে নৃশংসতা চালাচ্ছে, তার ব্যাপারে ওইসব সংগঠনের নীরব। রাজনৈতিক আন্দোলনের নামে বিএনপি-জামায়াত দেশে ভয়াবহ হিংসাত্মক কার্যক্রম চালাচ্ছে। তারা কয়েকশত মানুষকে হত্যা করেছে, লাখ লাখ মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। কিন্তু তথাকথিত মানবাধিকার সংগঠনগুলো ওইসব অপরাধের ব্যাপারে সম্পূর্ণ নীরব রয়েছে।”

দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এবার আর দুষ্কৃতিকারীদের ছাড় দেয়া হবে না। পেট্রোল বোমা হামলা, নিরীহ মানুষ হত্যা এবং এদের অর্থ যোগানদাতাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে।”

৬৫ জন কর্মচারীসহ বিএনপি চেয়ার পারসন খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিন দলীয় কার্যালয়ে অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “এটি একটি নিকৃষ্ট কাজ। খালেদা জিয়া তার তথাকথিত আন্দোলনে দেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা ছাড়া আর কিছু পাননি। তিনি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত না করে ঘরে ফিরবেন না বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছিলেন। কিন্তু তিনি তা করতে পারেননি। বরং তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন এবং বাড়ি ফিরে গেছেন।”

খালেদা জিয়ার প্রতি সমর্থন দেয়া সুশীল সমাজের কঠোর সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, “খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্য ছিল দেশের স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করা। কিভাবে একজন ব্যক্তি যার ন্যূনতম সাধারণ জ্ঞান আছে তাদেরকে সমর্থন দিতে পারে? যারা অগ্নিদগ্ধদের ব্যথা বুঝতে পারে, তারা কখনো এ ধরনের জঘণ্য কর্মকাণ্ডকে সমর্থন দিতে পারে না।”

আওয়ামী লীগ যথাযোগ্য মর্যাদায় ২০২০ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করতে যাচ্ছে বলেও সভায় প্রধানমন্ত্রী জানান।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএম

নিউজবাংলাদেশ.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়