এক দিনেই স্বর্ণের দামে বড় পতন
ফাইল ছবি
ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আন্তর্জাতিক বাজারের রেশ ধরে দেশের বাজারে অস্থির থাকা স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে।
বুধবার (০৮ এপ্রিল) দাম বাড়ানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সকালে নতুন সমন্বয় ঘোষণা করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচাইতে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমার প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সমন্বয় করা হয়েছে। দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণের সঙ্গে ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আবারও বাড়লো সোনার দাম
এর আগে, ৮ এপ্রিল দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছিল। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৫৪ দফা সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩১ দফায় দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ২৩ দফায় কমানো হয়েছে। তুলনায় ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
স্বর্ণের সঙ্গে রুপার দামেও বড় সমন্বয় আনা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম কমে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ৩ হাজার ৪৯৯–৫০০ টাকার মধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি বছরে রুপার দাম ৩৩ দফা সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৮ দফায় দাম বৃদ্ধি এবং ১৫ দফায় কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল।
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের মূল্য ওঠানামার প্রেক্ষিতে দেশের বাজারেও গত কয়েক বছরে বড় ধরনের সমন্বয় লক্ষ্য করা গেছে। করোনার পরের পাঁচ বছরে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের বাজারে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে প্রথমবার এক ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ টাকার ঘর অতিক্রম করে। আন্তর্জাতিক বাজারে দর কমার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাজারে বড় ধরনের সমন্বয় শুরু হয়েছে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








