মধ্যরাতে ছাড়বে তারেক রহমানের ফ্লাইট: সালাহউদ্দিন
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ফ্লাইট বুধবার মধ্যরাতে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হবে বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। বিমানযাত্রায় তারেক রহমানের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরাও থাকবেন।
বুধবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও তারেক রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কমিটির আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন আহমদ।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমাদের নেতা বাংলাদেশ বিমানের এক নিয়মিত ফ্লাইটে লন্ডন থেকে বাংলাদেশ সময় মধ্যরাতে হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করবেন। বিমানযাত্রার মধ্যবর্তী স্থলে সিলেটে সংক্ষিপ্ত বিরতি গ্রহণের পর বেলা ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করবেন ইনশাআল্লাহ।
ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তারেক রহমানকে অভ্যর্থনা জানাবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। এরপর তিনি সরাসরি সড়কপথে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন, যেখানে বিএনপি চেয়ারপারসন এবং তারেক রহমানের মা খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে।
হাসপাতালের পথে কুড়িল-পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে এলাকায় ৩০০ ফুটের সংক্ষিপ্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র তারেক রহমান দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাবেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করবেন। কোনও দ্বিতীয় বক্তা থাকবে না।
আরও পড়ুন: পূর্বাচলের ৩০০ ফিটে রাজকীয় সংবর্ধনার প্রস্তুতি, নেতাকর্মীদের ঢল
সংবর্ধনার পর তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতাল ঘুরে গুলশান অ্যাভিনিউর ১৯৬ নম্বর বাসায় পৌঁছাবেন, যেখানে তিনি অবস্থান করবেন।
পরবর্তী কর্মসূচি অনুযায়ী, শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) জুমার পর তারেক রহমান শেরে বাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন এবং সেখান থেকে সড়কপথে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। শনিবার তিনি জুলাইযোদ্ধা ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করবেন এবং ভোটার হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করবেন। এই কর্মসূচি এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে নেই।
সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন আহমদ অনুরোধ করেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত এই ঐতিহাসিক আয়োজনের জন্য অনিবার্যভাবে কিছু সীমিত কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলে আমরা অগ্রিম ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
তিনি আরও জানান, তারেক রহমান স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন যে, তিনি বিমানবন্দর থেকে তার চিকিৎসাধীন মা খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যাবেন এবং পিতা শহীদ জিয়ার মাজার ও ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করবেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা একেএম সাইফুল ইসলাম বলেন, দলীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ ব্যবহৃত হবে। এছাড়া সরকারি পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, সরকার তারেক রহমানের নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে। বিএনপি যদি অতিরিক্ত কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা চায়, সেটিও সরকার নিশ্চিত করবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কমিটির সদস্য মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








