‘গণঅভ্যুত্থানে আহতদের নিয়ে কাজ করবে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়’
ছবি: সংগৃহীত
মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের অবদানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এই বিপ্লবে যারা জীবন দিয়েছেন এবং পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাদের কল্যাণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
আজ রোববার সকালে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমাদের বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় যেমন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাজ করে, তেমনি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ ও পঙ্গু হয়েছেন তাদের বিষয়েও আমরা সমানভাবে আন্তরিক। তাদের পরিবার ও পুনর্বাসনের দেখভালের দায়িত্ব ও কর্তব্য আমাদের রয়েছে। সরকার এই বীরত্বগাথাকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন ও সহায়তা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর।
আসন্ন জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস পালন প্রসঙ্গে তিনি জানান, রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো সফলভাবে পালনের জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়েই সব আয়োজন সম্পন্ন হবে।
আরও পড়ুন: মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ আহমেদ আযম খান
এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও কমান্ড কাউন্সিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করেছেন। আমরা চাই প্রতিটি কমিটি ও প্রতিষ্ঠান গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় চলুক। সে অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলও যেন গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হয়, আমি সেই লক্ষ্যেই কাজ করছি।
মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নিয়ে জনমনে থাকা বিভিন্ন প্রশ্নের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, তালিকা নিয়ে অনেক বিতর্ক ও প্রশ্ন রয়েছে। এমনকি রাজাকারের তালিকা প্রস্তুত হয়েছে কি না, তা নিয়েও অনেকে জানতে চেয়েছেন। আমি মাত্র দুই দিন হলো দপ্তরে যোগদান করেছি। এই স্পর্শকাতর বিষয়গুলো অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে যাচাই-বাছাই করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এজন্য আমাকে কিছুটা সময় দিতে হবে।
এর আগে মন্ত্রী সার্কিট হাউজে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে জেলার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং জুলাই আন্দোলনের আহতদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন। এ সময় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








