News Bangladesh

জেলা সংবাদদাতা || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১২:২৫, ২০ মার্চ ২০২৬

চাঁদপুরের প্রায় অর্ধশত গ্রামে ঈদ উদযাপন

চাঁদপুরের প্রায় অর্ধশত গ্রামে ঈদ উদযাপন

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবসহ আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরিফসহ জেলার প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরিফ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দরবার শরিফের পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। পরে সকাল সাড়ে ৯টায় সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসা মাঠে দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দরবার শরিফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী।

সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী জানান, ১৯২৮ সাল থেকে তারা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সময়ের সামান্য ব্যবধানে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন। শুরুতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কম থাকলেও এখন দেশের প্রায় সব জেলাতেই তাদের অনুসারীরা এভাবে ঈদ উদযাপন করেন।

দরবার শরিফের মুসল্লি ইয়াহিয়া চৌধুরী বলেন, আফগানিস্তান ও মালিসহ কয়েকটি দেশে চাঁদ দেখার খবর নিয়ে সন্দেহ থাকায় তারা তা গ্রহণ করেননি। এ কারণে রমজানের ৩০ দিন পূর্ণ করে শুক্রবার ঈদ উদযাপন করছেন তারা।

আগাম ঈদ উদযাপন করা গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপপুর ও বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা ও গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার দশানি, মোহনপুর ও পাঁচানী; এছাড়া কচুয়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামের আংশিক এলাকা।

তবে এ বছর এ ধারায় কিছুটা ব্যতিক্রমও দেখা গেছে। জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা গ্রামে গত বৃহস্পতিবার মাইকে ঘোষণা দিয়ে সাতজন মুসল্লিকে নিয়ে পৃথক একটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাদ্রা দরবার শরিফের পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.)–এর ছেলে মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকের অনুসারীরা অংশ নেন। তিনি বলেন, নাইজার, মালিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে তারা বৃহস্পতিবার ঈদ উদযাপন করেছেন।

আরও পড়ুন: আদাবর থেকে সাবেক কাউন্সিলর ও আ. লীগ নেতা হাসু গ্রেফতার

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯২৮ সালে সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) সৌদি আরবসহ কয়েকটি আরব দেশের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ উদযাপনের প্রথা চালু করেন। এরপর থেকে তার অনুসারীরা চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এ রীতি অনুসরণ করে আসছেন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়