ঈদযাত্রার চাপ কমেছে কমলাপুরে
ছবি: সংগৃহীত
ঈদ উপলক্ষে গত সোমবার রাত থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ব্যাপক যাত্রীর চাপ দেখা গেলেও শুক্রবার সেই পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে। যাত্রীর চাপ কমে আসায় রাজধানীর প্রধান এই রেলস্টেশনটিতে এখন তুলনামূলক স্বস্তির পরিবেশ বিরাজ করছে।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল থেকে স্টেশনের প্রতিটি ট্রেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে দেখা গেছে। গত চার দিনের তুলনায় এদিন স্টেশনে ভিড় ছিল অনেক কম। যাত্রীসংখ্যা কম থাকা এবং নির্ধারিত সময়ের বিলম্বের কারণে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি বাতিল করা হয়েছে।
স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, সাধারণত ২৯ রমজানকে কেন্দ্র করেই বেশিরভাগ যাত্রী টিকিট কেটে থাকেন। কারণ ঈদুল ফিতর ২৯ বা ৩০ রোজা—দুই সম্ভাবনাকেই সামনে রেখে অনেকে আগেভাগে যাত্রার পরিকল্পনা করেন। এ ছাড়া এ সময়ের মধ্যে অধিকাংশ বেসরকারি অফিস ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছুটি হয়ে যাওয়ায় যাত্রীর চাপও বেড়ে যায়। পরে তা কিছুটা কমে আসে।
শুক্রবার সকাল থেকে কমলাপুর স্টেশনে তুলনামূলক স্বস্তির চিত্র দেখা গেছে। যদিও যাত্রীর চাপ কম ছিল, তবু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল যথেষ্ট। টিকিট যাচাই করে ধাপে ধাপে যাত্রীদের স্টেশনে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছিল।
খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেসের যাত্রী শফিকুল ইসলাম বলেন, গ্রামে যাওয়ার খুব একটা ইচ্ছা ছিল না। তবে যেহেতু রোজা ৩০টি পূর্ণ হচ্ছে, তাই শেষ মুহূর্তে বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ট্রেনে আসনও খালি রয়েছে, তাই ভোগান্তি কম হবে বলে মনে হচ্ছে।
আরেক যাত্রী রিপন আহমেদ জানান, তিনি সাধারণত চাঁদরাতে ঝিনাইদহের গ্রামের বাড়িতে যান। কিন্তু গতরাতে চাঁদ দেখা না যাওয়ায় শুক্রবার সকালে ট্রেনে কোটচাঁদপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। ট্রেনে এসে ভালো লাগছে, কারণ আসন খালি আছে এবং যাত্রীর চাপও কম।
আরও পড়ুন: তারেক রহমানকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে নরেন্দ্র মোদির চিঠি
জামালপুরগামী যাত্রী আহসান হাবিব বলেন, যানজট ও অফিসের চাপের কারণে এবার গ্রামে যাবেন না ভেবেছিলেন। তবে রোজা ৩০টি পূর্ণ হওয়ায় এবং বিভিন্ন ট্রেনে আসন ফাঁকা থাকার তথ্য দেখে শেষ পর্যন্ত পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি








