রানা প্লাজা ধস: মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ২১ মে
ঢাকা: সাভারের রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য ২১ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার দিন ধার্য থাকরেও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার বিজয়কৃষ্ণ কর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহীদুল হক এ দিন ধার্য করেন।
রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় ২০১৩ সালের ২৫ এপ্রিল সাভার থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। এর একটি অবহেলাজনিত মৃত্যু চিহ্নিত করে পুলিশের হত্যা মামলা। অপরটি ইমারত নির্মাণ আইন লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ করায় রাজউকের ইমারত আইনে দায়ের করা মামলা। একই বছরের ২৪ এপ্রিল এই ঘটনায় সাভার থানার এসআই ওয়ালী আশরাফ ১১৩৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় ভবন মালিক মো. সোহেল রানাসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে একটি অবহেলাজনিত হত্যা মামলা দায়ের করেন।
হত্যা মামলার আসামিদের মধ্যে আব্দুল খালেক ওরফে খালেক কুলু, মোহাম্মদ আলী খান, রেফাত উল্লাহ, আবুল হাসান, অনিল কুমার দাস, শাহ আলম মিঠু, এমায়েত হোসেন, রাকিবুল ইসলাম ও আলম মিয়া জামিনে রয়েছেন।
এ ছাড়া বজলুল সামাদ আদনান, মাহমুদুর রহমান, সোহেল রানা, আমিনুল ইসলাম, আনিছুর রহমান, আমিনুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক খান, আলমগীর, রাসেলমধু ও সরোয়ার কারাগারে রয়েছেন।
একই দিনে ইমারত নির্মাণ আইন না মেনে ভবন নির্মাণ করায় রাজউকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন ১৩ জনকে আসামি করে সাভার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলার আসামিদের মধ্যে মোহাম্মদ আলী খান, এমায়েত হোসেন, আবদুল খালেক, রেফাত উল্লাহ, বজলুল সামাদ আদনান, মাহমুদুর রহমান জামিনে রয়েছেন।
এ ছাড়া সোহেল রানা, রফিকুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, আনিছুর রহমান, রফিকুল ইসলাম ও সরোয়ার কামাল কারাগারে আটক রয়েছেন।
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে ধসে পড়ে সাভারের রানা প্লাজা। এসময় ভবনের নিচে চাপা পড়েন সাড়ে ৫ হাজার পোশাকশ্রমিক। এ ঘটনায় ১১৩৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত ও পঙ্গু হন প্রায় দুই হাজার মানুষ। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয় ২৪৩৮ জনকে ।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এএইচকে
নিউজবাংলাদেশ.কম








