ভূমধ্যসাগরে নৌযানডুবিতে ৮০০ আরোহী নিহত
ভূমধ্যসাগরে গত শনিবারের নৌযানডুবিতে ৮০০ আরোহী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের মুখপাত্র মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর এএফপি।
ইতালিতে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের মুখপাত্র কারলোতা সামি উদ্ধার হওয়া জীবিত আরোহীদের বরাত দিয়ে বলেন, “নৌযানটিতে ১০-১২ বছর বয়সী শিশুসহ আটশ’র কিছু বেশি আরোহী ছিল।
এদিকে, ডুবে যাওয়া নৌযানের ক্যাপ্টেন ও এক ক্রুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মানবপাচারে জড়িত থাকার সন্দেহে সোমবার তাদের গ্রেফতার করা হয়। ইতালি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার বিবিসি জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত ওই দুইজন দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকৃত ২৮ জনের মধ্যে ছিলেন।
নৌ-ডুবিতে কয়েকশ অভিবাসীর প্রাণহানির ঘটনায় সোমবার লুক্সেমবার্গে জরুরি বৈঠকে বসেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা। ইইউ মন্ত্রীরা সংস্থার সহায়তা কার্যক্রম বৃদ্ধি ও পাচারকারীদের ধরার মাধ্যমে অভিবাসীদের প্রাণহানি বন্ধের প্রচেষ্টা জোরদারের অঙ্গীকার করেন। বৈঠকে ভূমধ্যসাগর এলাকার অভিবাসী সংকট লাঘবে ১০ দফার এক কর্মপরিকল্পনা পেশ করা হয়।
আফ্রিকা থেকে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার পথে রোববার স্থানীয় সময় মধ্যরাতে ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী যাত্রীসহ একটি ইঞ্জিনচালিত মাছ ধরার নৌকা ডুবে যায়। ৭০ ফুট লম্বা নৌযানটিতে প্রায় এক হাজার আরোহী ছিলেন বলে জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানান। আরোহীদের মধ্যে মাত্র ২৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এ ছাড়া উদ্ধার করা হয়েছে ২৪ জনের মরদেহ।
উদ্ধারকৃতদের মধ্যে সিরিয়ান, দেড়শ জনের মতো ইরিত্রিয়া ও সোমালিয়ার অভিবাসী ছিলেন। অভিবাসীদের নিয়ে নৌযানটি শনিবার স্থানীয় সময় সকাল আটটায় ত্রিপোলি ছাড়ে।
লিবিয়া থেকে ইউরোপ অভিমুখে রওনা হওয়া নৌযানটি শনিবার মধ্যরাতে ভূমধ্যসাগরে ডুবে যায়।
নৌযান ডুবিতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের অনুসন্ধান ও উদ্ধারে অভিযান চলছে। এ ছাড়া পাচারকারী নৌযানের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এসজে/এএইচকে
নিউজবাংলাদেশ.কম








