News Bangladesh

তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৭:৪৪, ৯ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকার দুই পাম্পে পরীক্ষামূলক চালু হচ্ছে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ

ঢাকার দুই পাম্পে পরীক্ষামূলক চালু হচ্ছে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ

ছবি: সংগৃহীত

শৃঙ্খলা আনতে রাজধানীর দুটি পেট্রোল পাম্পে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের মাধ্যমে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু হচ্ছে।  

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী এ তথ্য জানান।  

তিনি বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে আমরা দুটি ফিলিং স্টেশনে কাজ শুরু করেছি- একটি আসাদগেটের সোনার বাংলা, আরেকটি তেজগাঁয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন। এরই মধ্যে প্রচুর সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, অনেকেই রেজিস্ট্রেশন করছেন। আমার মনে হয় রেজিস্ট্রেশনকারীর সংখ্যা ১০ হাজার অতিক্রম করেছে।  

যুগ্ম সচিব বলেন, তবে এই কাজটা একটু সময়সাপেক্ষ। আমরা মোটরসাইকেলে ফোকাস করে দুটি ফিলিং স্টেশনে কাজটি শুরু করেছি। আশা করি ধীরে ধীরে ঢাকা শহর পুরোটা কাভার করতে পারবো। এরপর হয়তো আমরা এটি দেশব্যাপী রেপ্লিকেট করার চেষ্টা করবো।

আরও পড়ুন: অনিয়মের অভিযোগ, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থীর ভোট বর্জন

তিনি আরও বলেন, ‘ফুয়েল পাস চালুর ক্ষেত্রে আমাদের চেষ্টা থাকবে মানুষের ভোগান্তি যাতে কম হয়। এখানে তিনটি পক্ষ একটি ফিলিং স্টেশনের মালিক, একটি গ্রাহক। আরেকটি পক্ষ হচ্ছে বিপিসি বা ইএমআরডি, যারা এটার অ্যাডমিন হিসেবে কাজ করবে। স্বচ্ছতার সাথে যাতে এটি করা যায় এজন্য সকল প্রস্তুতি নিয়ে আমরা এগোচ্ছি।’

সরকার দীর্ঘমেয়াদি মজুত নিয়ে কাজ করছে কি না- জানতে চাইলে মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা খুব সিরিয়াসলি ভাবছি যে যুদ্ধ কেটে গেলেই আসলে আমরা যাতে ভুলে না যাই যে আমাদের একটা দীর্ঘমেয়াদি মজুত প্রয়োজন। এটার ওপর আমরা এখন থেকেই কাজ শুরু করেছি। আমরা মনে করছি যে মিনিমাম তিন মাসের একটা মজুত আমাদের থাকা উচিত। এরকম সংকটে বোঝা যায় যে আসলে একটা দীর্ঘমেয়াদি মজুদের প্রয়োজন আছে।’

বিক্রেতারা এলপিজি বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত দাম মানছেন না - এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে যুগ্ম সচিব বলেন, ‘এলপিজির মূল্য নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। যেহেতু এলপিজি খাতের প্রায় ৯৯ শতাংশই বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত, তাই বাজার নিয়ন্ত্রণে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগ তদন্তে জেলা প্রশাসকদের তথ্য-প্রমাণসহ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। ’

নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়