ক্ষমা চাওয়ার সিদ্ধান্ত এখনো নেননি কামারুজ্জামান
ঢাকা: রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার কারাগারে কামারুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে এ কথা জানান তার আইনজীবী শিশির মোহাম্মদ মনির।
তিনি বলেন, “কামারুজ্জামানকে রায় পড়ে শোনানো হয়েছে। সেখানে তার কিছু জানার বিষয় ছিল। সে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হযেছে। আইনজীবী হিসেবে আমরা যতটুকু জানি ততটুকুই তাকে জানানো হয়েছে। বাকিটা তিনি ভাববেন। ভাবার পর যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটা আইনজীবীদের মাধ্যমে তিনি জানাবেন।”
শিশির মনির আরো বলেন, “কামারুজ্জামান ভাল আছেন। তিনি মানসিকভাবেও সুস্থ আছেন। দেশবাসীকে সালাম জানিয়েছেন তিনি।”
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কারাগারে প্রবেশ করেন শিশির মনিরসহ পাঁচজন আইনজীবী।
অন্য আইনজীবীরা হলেন মতিউর রহমান আকন্দ, এহসান আবদুল্লাহ, মুজিবুর রহমান, মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।
তারা জেল গেটে উপস্থিত হন সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে। প্রক্রিয়া শেষ করে ১১টায় কারাগারের ভেতরে প্রবেশ করেন। সাক্ষাত শেষে ১১টা ৪০ মিনিটে বের হয়ে আসেন।
এর আগে বুধবার আইনজীবীদের সাক্ষাতের জন্য বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সময় দেন কারা কর্তৃপক্ষ।
বুধবার কামারুজ্জামানকে চূড়ান্ত রায়ের কপি পড়ে শোনানো হয়েছে। তিনি রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমা চাইবেন কিনা কারা কর্তৃপক্ষ তা জানতে চাইলে কামারুজ্জামান এ জন্য একদিনের সময় নেন।
বুধবার বিকেল ৫টায় সুপ্রিম কোর্টের সহাকারী রেজিস্ট্রার মেহেদি হাসানের কাছ থেকে রায়ের কপি গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আফতাব উজ্জামান। সেখান থেকে কপিটি কারাগারে পাঠানো হয়।
রায়ের কপি আইজি প্রিজন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দেয়া রায়ে সই করেন আপিল বিভাগের চার বিচারপতি।
বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে প্রধান বিচারপতিসহ চার বিচারপতি রায়ে সই করেন।
গত ৬ এপ্রিল কামারুজ্জামানের রায়ের রিভিউ আবেদন শুনানি শেষে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এনএইচ/এফএ
নিউজবাংলাদেশ.কম








