News Bangladesh

|| নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১১:৩০, ৮ এপ্রিল ২০১৫
আপডেট: ২৩:৫৩, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০

স্কুল-কলেজে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ‘সাঁতার শেখা’

স্কুল-কলেজে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ‘সাঁতার শেখা’

 ঢাকা: পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার হাত থেকে শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে বাংলাদেশের সব স্কুল-কলেজে সাঁতার প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনের ব্যবস্থার জন্য নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষামন্ত্রনালয়।

এর ধারাবাহিকতায় সরকার দেশের সকল উচ্চ মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সমমানের মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সাঁতার প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে।

সাঁতার শেখা ও অনুশীলনকে শিক্ষার্থীদের ‘জীবন রক্ষাকারী কৌশল চর্চা’ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে। এ জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও তার আশপাশের পুকুর ও জলাশয় ব্যবহার উপযোগী করা হবে। কোনো স্কুল-কলেজে পুকুর না থাকলে পাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পুকুর ব্যবহার করতে হবে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এসব পুকুর সংস্কার করবে। এ নিয়ে কোনো সমস্যা দেখা দিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সমাধান করবেন।

এ বিষয়ে ইউনিসেফের এক জরিপ তুলে ধরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে পাঁচ থেকে ১৭ বছরের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় ৪৮ জন এবং বছরে ১৮ হাজারের বেশি সাঁতার না জানায় ডুবে মারা যায়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, সাঁতার প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আবশ্যিকভাবে লাইফ জ্যাকেটের ব্যবস্থা করতে হবে। এর পাশাপাশি দেশীয় প্রচলিত সরঞ্জাম ব্যবহার করেও শিক্ষার্থীদের সাঁতার শেখানো যাবে। সাঁতার শেখানোর সময় শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক অথবা সাঁতার প্রশিক্ষককে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে। ছেলে ও মেয়েদের সাঁতার অনুশীলনের আলাদা সময় নির্ধারণ করতে হবে।

মহানগরীর যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুকুর বা উপযুক্ত জলাশয় নেই তাদের মহানগরীর কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় ক্রীড়া কমপ্লেক্স বা অন্য যে কোনো প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সাঁতার প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

পরিপত্রে আরো বলা হয়েছে, সাঁতার শেখানোর বিষয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (মহানগরীর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক) এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ সংক্রান্ত মাসিক প্রতিবেদন দিতে হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও ইউএনওদের সাঁতার প্রশিক্ষণের তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা তিন মাস পর পর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে প্রতিবেদন দেবেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর তিন মাস পর পর এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠাবে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/টিআইএস/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়