News Bangladesh

|| নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৯:০৮, ১০ এপ্রিল ২০১৫
আপডেট: ০২:৩২, ১৯ জানুয়ারি ২০২০

ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে দেখা হয়নি ফরমান আলীর

ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে দেখা হয়নি ফরমান আলীর

ঢাকা: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মানবতাবিরোধী অপরাধী জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামান রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমা চাইবেন কিনা তা জানতে শুক্রবার সকালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়েছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ ও মাহমুদ জামিল। কিন্তু তাদের সাথে দেখা হয়নি সিনিয়র জেলসুপার ফরমান আলীর। তিনি নিজেই এ কথা জানিয়েছেন।

দুপুর সোয়া ২টার দিকে ফরমান আলী জেল গেটে প্রবেশের সময় নিউজবাংলাদেশকে বলেন, কারাগারে প্রতিদিনই কোনো না কোনো ম্যাজিস্ট্রেটরা আসেন। আজও শুনেছি সকালে দুজন ম্যাজিস্ট্রেট এসেছিলেন। তবে তাদের সাথে আমার দেখা হয়নি।

ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর ও জামিল বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে কারাগার থেকে বের হয়ে যান। কিন্তু এসময় তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি। এর কিছুক্ষণ পরে দুপুর ১২টার দিকে বের হন ফরমান আলী। সেসময় তিনিও সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

এর ফলে কামারুজ্জামান ক্ষমা চাইবেন কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়।

দুপুর সোয়া ২টার দিকে নিউজবাংলাদেশের পক্ষ থেকে কামারুজ্জামানের ছেলে হাসান ইকবাল ওয়ামিকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, কারা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও আমাদের ডাকা হয়নি। আমাদের সাথে এখনও কারা কর্তৃপক্ষ যোগাযোগই করেনি।

কামারুজ্জামানের ফাঁসি নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হলেও জোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে আজ রাত ১২টার পরই তার ফাঁসি কার্যকর করা হতে পারে। আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত তার পরিবারের সাথে কামারুজ্জামানের সাক্ষাতের সময় রয়েছে।

এদিকে কামারুজ্জামান আজ জামায়াতের সাথে জুমার নামাজ আদায় করতে পারেননি বলে জানা গেছে। তিনি তার নির্ধারিত সেলেই নামাজ পড়েছেন। এক কারারক্ষীর সাথে কথা বলে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে।

প্রসঙ্গত, এর আগে বৃহস্পতিবার কামারুজ্জামানের আইনজীবীরা তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি বিষয়টি নিয়ে আরো ভাববেন বলে জানান। পরে দুপুরে এ বিষয়ে জানতে একজন ম্যাজিস্ট্রেট যান কারাগারে। তখন কামারুজ্জামান তার কাছে আরো একদিনের সময় চেয়ে নেন।

সে অনুযায়ী শুক্রবার সিদ্ধান্ত জানানোর কথা। স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রীও বলেছেন, শুক্রবারের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এর আগে বুধবার কামারুজ্জামানকে চূড়ান্ত রায়ের কপি পড়ে শোনানোর পর তিনি রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমা চাইবেন কিনা তা জানতে চাইলে কামারুজ্জামান এ জন্য একদিনের সময় নিয়েছিলেন।

গত ৬ এপ্রিল কামারুজ্জামানের রায়ের রিভিউ আবেদন শুনানি শেষে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। এর আগেই আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ের পর প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে মৃত্যুপরোয়ানা জারি ও তা কামারুজ্জামানকে পড়ে শোনানো হয়। পরে রিভিও আবেদনের প্রেক্ষিতে তা স্থগিত হয়ে যায়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এনএইচ/এফই

নিউজবাংলাদেশ.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়