News Bangladesh

|| নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৭:৩৯, ৮ এপ্রিল ২০১৫
আপডেট: ০১:৩২, ১৯ জানুয়ারি ২০২০

শিগগিরই ১০ হাজার নার্স নিয়োগ

শিগগিরই ১০ হাজার নার্স নিয়োগ

গাজীপুর: নার্সিং পেশাকে অত্যন্ত সম্মান করেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার শিগগিরই আরও ১০ হাজার নার্স নিয়োগ করতে যাচ্ছে। এ জন্য পদও সৃষ্টি করা হচ্ছে।

বুধবার বেলা ১২টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুরে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে নার্সিং কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

কাশিমপুরের সারাবোর তেতুইবাড়ি এলাকায় স্থাপিত নার্সিং কলেজ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'শিগগিরই আরো ১০ হাজার নার্স নিয়োগ দেয়া হবে। এজন্য পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে।'

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, নার্সিং পেশাকে আমি অত্যন্ত সম্মান করি। একজন রোগী ডাক্তারের চিকিৎসা নেন বটে, কিন্তু একজন নার্সের হাতের স্পর্শে, সেবাযত্নই একজন রোগীকে সুস্থ করে তোলে। সুস্থ হওয়ার প্রেরণা যোগায়। নার্সিং পেশাকে তাই আমি শ্রেষ্ঠ পেশা হিসেবে বিবেচনা করি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, প্রথমবার ক্ষমতায় এসেও আমরা নার্স নিয়োগ দিয়েছি। অনেক নীতিমালা শিথিল করেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই পেশাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছি।

দেশে নার্সিং পেশার অতীত অবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নার্সিং পেশাকে আমাদের দেশে নিচু হিসেবে দেখা হতো। চাকরির ক্ষেত্রেও এ পেশা ছিল তৃতীয় শ্রেণিভুক্ত। স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষিত মেয়েরা এ পেশায় আসত না। বিজ্ঞান বিষয় ছাড়া কেউ নার্সিং আসতে পারবে না বলে কারিকুলামে বাধ্যকতা ছিল। আমরা এসব দূর করেছি। ক্ষমতায় এসে বলেছি, সরকারি-বেসরকারি খাতে নার্সিং ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। এ বিষয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য অনেককেই বিদেশে পাঠানো হয়েছে।

নার্সিং কলেজটির নামকরণ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, সন্তান হিসেবে বলতে পারি, আমাদের চেয়ে এ দেশের মানুষকে বেশি ভালোবেসেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গ্রামবাংলার মানুষের জন্য কাজ করেছেন, জেল খেটেছেন। পাশে থেকে সবসময় তার সঙ্গে কাজ করেছেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। আড়ালে থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। মানবতার সেবায় তিনিও নিয়োজিত ছিলেন সবসময়। তাই এই নার্সিং কলেজটি তার নামে করে দিয়েছি।'

ভবিষ্যতে এই হাসপাতালটিকে ৫০০ শয্যার ও মেডিকেল কলেজে উন্নীত করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এরপর ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতোসিরি মোহাম্মদ নজিব বিন তুন আবদুল রাজাক, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোটবোন শেখ রেহানা যৌথভাবে এই হাসপাতালের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

মালয়েশিয়ার সেবা সংস্থা কামপুলান পেরুতান জহর (কেপিজে) এই আধুনিক হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে। এটি পাবলিক-প্রাইভেট-পার্টনারশিপ পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এফই

নিউজবাংলাদেশ.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়