শতকোটি টাকা তাবিথের, নেই গাড়ি-বাড়ি
ঢাকা: ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তাবিথ আউয়াল শতকোটি টাকার মালিক হলেও তার নিজের নামে নেই কোনো গাড়ি কিংবা বাড়ি।
এছাড়া যৌথভাবে ১৭টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অংশীদারিত্ব আছে তার। পাশাপাশি নিজের নামে ২.৩৩৫ একর কৃষি ও ১৫.৭৯০৭ একর অকৃষি জমিও রয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এ মেয়র প্রার্থীর।
মনোনয়ন পত্রের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
হলফনামায় তাবিথ জানান, প্রগতি ইন্সুরেন্স, প্রগতি লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি, লাল তীর সীডসহ মোট ১৭টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অংশীদার তিনি। এসব ব্যবসা থেকে বছরে তার আয় ৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। কেবল কৃষিখাতেই তার আয় আছে বছরে ৯ কোটি ৮ লাখ টাকা।
এছাড়াও বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট ও দোকান ভাড়া থেকে ২২ লাখ ৯ হাজার টাকা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে ২ কোটি ১৪ লাখ ৬৭ হাজার টাকা ছাড়াও নিজের পেশা থেকে তার আয় ১৪ লাখ টাকা।
অস্থাবর সম্পত্তি হিসেবে তাবিথের হলফনামায় দেখানো হয়, তার নগদ টাকা রয়েছে ৩ কোটি ৭৪ হাজার। এছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ৩ কোটি ৪২ লাখ ৮ হাজার টাকা, বন্ড- ঋণপত্র ও শেয়ারে ১৪ কোটি, ৮১ লাখ ৩২ হাজার, স্বর্ণ ও অন্যান্য ধাতু ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকার এবং ঋণ প্রদান ও জীবন বীমায় ১৫ কোটি ২৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকার মালিক তিনি।
তাবিথের নিজের নামে কোনো গাড়ি কিংবা বাড়ি নেই বলে হলফনামায় এ সংক্রান্ত ঘর ফাঁকা রাখা হয়। তার পরিবারের কারো নামেও নেই কোনো গাড়ি। তবে তাবিথের স্ত্রীর নামে ৬১ লাখ টাকা মূল্যের অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে বলে জানানো হয়।
মনোনয়ন পত্র জমাদানের শেষ দিন ২৯ মার্চ মনোনয়ন পত্র তুলে সেদিনই জমা দেন তাবিথ আউয়াল। রিটার্নিং অফিস থেকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হলেও তার বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংকের ঋণ খেলাপি বলে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে অভিযোগ করা হয়। মঙ্গলবার রাতে এ বিষয়ক শুনানিতে তাবিথের বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ হয়ে যায়।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএ/এমএম
নিউজবাংলাদেশ.কম








