News Bangladesh

|| নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৬:৪৮, ৪ এপ্রিল ২০১৫
আপডেট: ১৪:৩৩, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

শ্রমিক নেতা আমিনুল হত্যা

সিআইডির অভিযোগপত্রে ‘খুনিরা আড়ালে’

সিআইডির অভিযোগপত্রে ‘খুনিরা আড়ালে’

ঢাকা: গার্মেন্টস শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডে সিআইডির দেয়া অভিযোগপত্রে প্রকৃত খুনিদের আড়াল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শ্রমিক নেতারা।

শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির গোলটেবিল মিলনায়তনে আমিনুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের তৃতীয় বার্ষিকীতে হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশন ও বাংলাদেশ সেন্টার ফর ওয়ার্কার্স সলিডারিটি যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি বাবুল আখতার বলেন, “ইতিমধ্যেই আমাদের ও আমিনুলের পরিবারের পক্ষ থেকে সিআইডির দেয়া অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

সরকার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের কাছে দাবি জানিয়ে এতে বলা হয়, “সিআইডি তদন্ত করে যে অভিযোগপত্র দিয়েছে তাতে প্রকৃত খুনিকে আড়াল করা হয়েছে। মামলাটি স্বচ্ছতার সঙ্গে পুনঃতদন্ত করতে হবে। প্রকৃত হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে শাস্তি প্রদান করতে হবে।”

বাংলাদেশ সেন্টার ফর ওয়ার্কার্স সলিডারিটির নির্বাহী পরিচালক কল্পনা আক্তার বলেন, “আমিনুল হত্যার পর আমরা রাজপথে আন্দলনে নামিনি। তার মানে এই নয় যে আমরা এই হত্যাকাণ্ড মেনে নিয়েছি। আমরা আমিনুলের হত্যাকারীদের অবিলম্বে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তির দাবি করছি। যদি বিচার না হয় তাহলে আমরা হাজার হাজার কর্মী নিয়ে রাজপথে আন্দোলন শুরু করব।”

এনএসআই-এর আমিনুল ইসলাম, লুৎফুর রহমান মামুনুর রশিদ শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অভিযোগ করে তিনি বলেন, “আমরা সকল এনএসআই সদস্যকে দোষারোপ করছি না। কিন্তু এই তিনিজন জড়িত বলে আমরা মনে করি।”

তিনি আরো বলেন, “কার স্বার্থে হত্যাকারীদের আড়াল করা হচ্ছে, তা আমরা জানি না। কিন্তু আমরা সরকারকে স্পস্ট জানিয়ে দিতে চাই, আমিনুল হত্যা আমরা কখনোই মেনে নেবো না। যতদিন বিচার না হয় ততদিন আমাদের আন্দোলন চলবে।”

সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকারীদের যথাযথ বিচারের দাবি জানান আমিনুল ইসলামের স্ত্রী হোসনে আরা বেগম ফাহিম।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি সালাউদ্দিন স্বপন, বিগফের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল আলম রাজু, কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

উল্লেখ্য ২০১২ সালের ৪ এপ্রিল রাতে নিজ কর্মস্থল মধ্য গাজিরচটের অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে নিখোঁজ হন আমিনুল ইসলাম। দুদিন পর ৬ এপ্রিল আত্মীয়স্বজনরা একটি পত্রিকায় আমিনুলের ছবিসহ ১০০ কিলোমিটার দূরে টাঙ্গাইলে পরিচয়হীন একজন ব্যক্তির মৃত্যুর খবর দেখে আমিনুলের ভাই ও বিজিআইওয়াইএফ-এর নেতৃবৃন্দ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানায় যান এবং সেখানে পুলিশের তোলা ছবি দেখে আমিনুল ইসলামকে সনাক্ত করেন।”

নিউজবাংলাদেশ.কম/টিএ/এফএ

 

নিউজবাংলাদেশ.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়