ছয় মাসে রেলের ক্ষতি ৩০ লাখ
ঢাকা: চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রেলের ৩০ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক।
দশম সংসদের পঞ্চম অধিবেশনের শেষ দিন বৃহস্পতিবার স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকীর টেবিলে উত্থাপিত এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রেলের লোকসান হয়েছে ৩০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫ টাকা। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির আয় হয়েছে ৩৪ লাখ ৩৪ লাখ ৪৭ হাজার ১৬৪ টাকা। মোট ব্যয় ৬৫ লাখ ১১ হাজার ২৪৯ টাকা।
মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি সরকারি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ ২০ বছর পর ২০১২ সালের ১ অক্টোবর ট্রেনের টিকিটের মূল্য প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনক্রমে বৃদ্ধি করা হয়েছে। রেলওয়েতে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদি কয়েকবার বৃদ্ধি পেয়েছে। জ্বালানি তেলের মূল্যও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যান্য পরিবহনের টিকিটের মূল্য বৃদ্ধি পেলেও সে অনুযায়ী ট্রেনের টিকিটের মূল্য বৃদ্ধি পায়নি। ফলে রেলের আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হচ্ছে।”
সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াত জোটের তথাকথিত রাজপথ, রেলপথ ও নৌপথ অবরোধের ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথে ও সম্পদের নিরাপত্তার বিধানের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে, রেলপথের নিরাপত্তার জন্য অপারেশনাল রেললাইনের মোট ২ হাজার ৮২ কিলোমিটার রেলওয়ে ট্রাকের প্রতি ২ কিলোমিটার এলাকার জন্য ৪ জন করে ২ শিফটে ৮ জন করে আনসার ও ভিডিপি সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে।
এছাড়া যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি ট্রেনের ইঞ্জিন ও গার্ড ব্রেকে রেলওয়ে পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে, রেলপথের নিরাপত্তা কার্যক্রম তদারকির জন্য জরুরি সেল গঠন করা হয়েছে, জরুরি অবস্থা মোকাবেলার জন্য ইমার্জেন্সি শাটল সদা প্রস্তুত রাখা হয়েছে, রাত্রিকালে চলাচলকারী ট্রেনের নিরাপত্তার জন্য অ্যাডভান্স পাইলট ইঞ্জিন পরিচালনার ব্যবস্থা করা হয়েছে, পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমের মাধ্যমে স্টেশনে বা ট্রেনের অভ্যন্তরে প্রচার করা হচ্ছে-যাত্রী এবং ট্রেনের নিরাপত্তা বিধানের সুবিধার্থে চলন্ত অবস্থায় ট্রেনের দরজা জানালা বন্ধ রাখতে হবে এবং ট্রেনের অভ্যন্তরে যাত্রীবেশি কোন সন্ত্রাসী দৃষ্টি গোচর হলে তা কর্তব্যরত অ্যাটেনডেন্টের মাধ্যমে পুলিশকে জানাতে হবে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএ/এজে
নিউজবাংলাদেশ.কম








