News Bangladesh

|| নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৪:২১, ২ এপ্রিল ২০১৫
আপডেট: ০০:৩৫, ১৮ জানুয়ারি ২০২০

‘কৃষকদের জন্যই অর্থনীতির ভিত এত শক্ত’

‘কৃষকদের জন্যই অর্থনীতির ভিত এত শক্ত’

ঢাকা: নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশের অর্থনীতির ভিত শক্ত অবস্থানে রয়েছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। আর এ শক্ত অবস্থা ধরে রাখার পিছনে প্রধানত কাজ করেছে আমাদের কৃষি ও কৃষক।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে মিডল্যান্ড ব্যাংক লিমিটেডের কৃষি, নারী উদ্যোক্তা ও গ্রিন ব্যাংকিং প্রোডাক্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানের বক্তব্যে তিনি কথা বলেন। এসময় উভয় ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষিকে অর্থনীতির অন্যতম প্রধান উৎস উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, “আমাদের কৃষকরা যদি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে অবদান না রাখতো তাহলে দেশের অর্থনীতির ভিতটা এতটা শক্ত হতো না।”

তিনি বলেন, “মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষি খাতের অবদান আগের চেয়ে কমলেও সেবা ও শিল্প খাতের অবদান বাড়াতে কৃষির পরোক্ষ অবদানের স্বীকার করতেই হবে। কেননা, সেবা ও শিল্প খাতে কাঁচামালের যোগান দিচ্ছে কৃষি। তাই দেশের উন্নয়ন কৌশলে কৃষির আধুনিকায়ন ও কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে মূল্য সংযোজন বাড়ানোর কৌশল গ্রহণ করতে হবে। এ কারণেই কৃষি ও কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার ওপর বিশেষ নজর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।”

এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম উল্লেখ করে আতিউর রহমান বলেন, “কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজস্ব তহবিল থেকে মফস্বলে কৃষিভিত্তিক পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপনের জন্যে সহজ শর্ত ও স্বল্প ব্যয়ের একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম পরিচালনা করছে। এ তহবিল থেকে গ্রাহক পর্যায়ে ১০ শতাংশ সুদে ৩৭টি কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প স্থাপনে ঋণ প্রদান করা হচ্ছে। আমরা জাইকার আর্থিক সহায়তায় কৃষিভিত্তিক ভ্যালুচেইন উন্নয়নে মাইক্রো ও ক্ষুদ্র কৃষিভিত্তিক শিল্প ও ব্যবসা উন্নয়নে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে আরো একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি।”

গভর্নর বলেন, “কৃষি খাতে ব্যাংকগুলো আরো অধিকহারে বিনিয়োগ বাড়াবে এ প্রত্যাশা করছি। ইতিমধ্যে কৃষি ঋণের ন্যূনতম লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছি। কারণ কৃষির উন্নয়নের মধ্যেই নিহিত রয়েছে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ।”

নারী উদ্যোক্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। নারীদের বেশিরভাগই আবার গৃহিণী। নারী শুধু গৃহবধূ হয়ে থাকলে দেশের কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।”

নিউজবাংলাদেশ.কম/জেএস/এমএম

নিউজবাংলাদেশ.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়