নববর্ষে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার তারেক রহমানের
ছবি: সংগৃহীত
ইংরেজি নববর্ষ ২০২৬ উপলক্ষ্যে দেশবাসী ও বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। বাণীতে তারেক রহমান নতুন বছরে পুরোনো সব গ্লানি মুছে এক নতুন সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তারেক রহমান বলেন, নববর্ষ কেবল একটি সাধারণ উৎসব নয়; এটি আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও চেতনার এক গভীর প্রতিচ্ছবি। ইংরেজি নববর্ষ এখন একটি আন্তর্জাতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে, যেখানে প্রতিটি জাতিগোষ্ঠী তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে এই আনন্দ ভাগ করে নেয়।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন বছরে দেশ-বিদেশের সবার জীবনে অনাবিল আনন্দ, শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি বয়ে আসবে।
বিগত বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, অর্জন ও সাফল্যের পাশাপাশি গেল বছরে অনেক তিক্ত স্মৃতি ও প্রিয়জন হারানোর বেদনা আমাদের ব্যথিত করে। তবে সেই অভিজ্ঞতা থেকেই আমাদের নতুন বছরে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা নিতে হবে।
তিনি অভিযোগ করেন যে, একটি গণবিরোধী পরাজিত শক্তি দীর্ঘ সময় ধরে জনগণের সকল গণতান্ত্রিক অধিকারকে বন্দি করে রেখেছিল। এখন সময় এসেছে সকল গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে নেওয়ার।
আরও পড়ুন: মায়ের ভুল-ত্রুটির জন্য ক্ষমা চেয়ে বক্তব্য তারেক রহমানের
তারেক রহমান তার বাণীতে একটি আধুনিক বাংলাদেশ নির্মাণের রূপরেখা তুলে ধরে বলেন, আমাদের প্রধান অঙ্গীকার হতে হবে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন করা। যেখানে মানুষের বাক-ব্যক্তি ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত থাকবে এবং প্রতিটি নাগরিকের কণ্ঠস্বর হবে স্বাধীন।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজে গণতন্ত্রের বিকাশে আমাদের আরও তৎপর হতে হবে যাতে ভবিষ্যতে আর কোনোভাবেই নিষ্ঠুর ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে। এর জন্য প্রয়োজন শক্তিশালী ও মজবুত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।
মানবিক সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচারের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বাণীর শেষে এক উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, নববর্ষে আমাদের উচ্চারণ হোক— ধ্বংস নয়, প্রতিশোধ নয়; আসুন ভালোবাসা, পরমতসহিষ্ণুতা, শান্তি ও সৌহার্দ্যের সমাজ গড়ে তুলি।
তিনি মানবাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং দুর্নীতি ও শোষণমুক্ত একটি রাষ্ট্র নির্মাণের মাধ্যমে জনগণকে অমিত সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। নতুন বছরটি সবার জন্য আনন্দময় ও সফল হয়ে উঠুক— এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








