নয়াপল্টনে এন্ট্রি খাতা, চালু হবে সিসি ক্যামেরাও
ঢাকা: এবার নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে মূল ফটকে এন্ট্রি খাতা চালু করা হয়েছে। শিগগিরই সিসি ক্যামেরা চালু করা হবে। তবে পুলিশ নয়, এবার খোদ বিএনপিই এ সমস্ত উদ্যোগ নিচ্ছে।
এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের মূল ফটকেে এন্ট্রি খাতা চালু করেছিল সাদা পোশাকধারী পুলিশ।
বুধবার সকাল থেকে কার্যালয়ের মূল প্রবেশপথে একটি টেবিল, চেয়ার ও এন্ট্রি খাতা নিয়ে একজন কর্মচারী এ দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কার্যালয়ে প্রবেশকারীর নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর লিখে রাখছেন।
নিরাপত্তার স্বার্থে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপি। পাশাপাশি অধিকতর নিরাপত্তার স্বার্থে পুরো কার্যালয়কে এক মাসের মধ্যে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনারও উদ্যোগ নিয়েছে দলটি।
জানা গেছে, বুধবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মোট ২৬ জন নেতাকর্মী দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেছেন বলে রেজিস্টার খাতায় তথ্য লেখা রয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর দুটা পর্যন্ত দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনিসহ মোট ১৫ জন নেতাকর্মী কার্যালয়ে প্রবেশ করেছেন।
দলের সহ দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি নিউজবাংলাদেশ.কমকে জানান, “কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একামাসের মধ্যে পুরো কার্যালয়কে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে।”
জনি বলেন, “দীর্ঘ তিন মাস কার্যালয় বন্ধ ছিল। এখনো নেতাকর্মীরা আসতে পারছেন না। সিনিয়র নেতারা আসতে পারছেন না। যারা আসছেন, তাদের অনেককেই আমরা চিনি না। যে কেউ এসে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়ে যেতে পারে। ভবিষ্যতে কেউ যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাতে না পারে, সেজন্য প্রাথমিক উদ্যোগ হিসেবেই নিচে রেজিস্টার খাতায় নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা প্রভৃতি টুকে রাখার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
তিনি বলেন, “দাপ্তরিক কাজে জবাবদিহিতাও এসব উদ্যোগের কারণ। কার্যালয়ে কে বা কারা আসছেন, কী কারণে আসছেন, কোথা থেকে আসছেন, কার কাছে আসছেন, কত সময় এখানে অবস্থান করলেন, তার রেকর্ড রাখতে এসব উদ্যোগ।”
এখন সব অফিসেই সিসি ক্যামেরা আছে, এটা নতুন কিছু নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের প্রবেশ পথেও সাদা পোশাকধারী পুলিশ টেবিল চেয়ার ও রেজিস্টার খাতা নিয়ে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে। কার্যালয়ে প্রবেশের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এমনকি প্রবেশ প্রত্যাশী এবং কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় একাধিক বিএনপি নেতাকর্মীকে গ্রেফতারও করা হয়। তারা অনেকেই এখন জেলে আছেন।
নিউজবাংলাদেশ.কম/আরআর/কেজেএইচ
নিউজবাংলাদেশ.কম








