News Bangladesh

|| নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৩:৩০, ৮ এপ্রিল ২০১৫
আপডেট: ২৩:৪৩, ১৭ জানুয়ারি ২০২০

থমথমে নয়াপল্টন, এড়িয়ে চলছেন বিএনপি নেতারা

থমথমে নয়াপল্টন, এড়িয়ে চলছেন বিএনপি নেতারা

ঢাকা: নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় খোলার পাঁচদিন অতিবাহিত হয়েছে। খোলার পরদিন থেকেই কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নেতাকর্মী না থাকায় সেখানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

শনিবার রাতে দলটির সহদপ্তর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীনের সঙ্গে কয়েকজন নেতাকর্মী নিচতলার কলাপসিবল গেটের তালা ইলেকট্রিক করাত দিয়ে কেটে কার্যালয়ে প্রবেশ করেন।

তালা দেওয়ার ৯১ দিন পর বিএনপির কেন্দ্রীয় এ কার্যালয়টি খোলা হয়।

এরপর রোববার সকাল থেকে কিছু নেতাকর্মী শঙ্কা নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে ঢোকেন। তবে কার্যালয় খোলা হলেও সেখানে নেই মধ্যম বা তৃণমূল নেতাকর্মীদের সমাগম। বিএনপির সিনিয়র কোনো নেতাও কর্যালয়মুখী হননি। খোলার পর দিন থেকেই সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

বিএনপি নেতাকর্মীরা গ্রেপ্তারের ভয়ে কর্যালয়মুখী হতে পারছেন না এবং সেখান থেকে গত কয়েকদিনে ১৩ জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির আপদকালীন মুখপাত্র বরকত উল্লাহ বুলু।

বুলু বলেন, “দীর্ঘ তিন মাস পর দলের নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয় খুললেও সেখানে আসা যাওয়ার ক্ষেত্রে নেতাকর্মীদের মধ্যে গ্রেফতার আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বুলু আশা প্রকাশ করেন, “কার্যালয়টি খুলে দেওয়ার পর সরকারের নিকট বিএনপি আশা করে, নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারসহ হয়রানি বন্ধ এবং বিএনপির সদর দপ্তরকে নির্বিঘ্নে দাপ্তরিক কাজকর্ম সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক গতিতে চালাতে দিতে হবে।”

বুধবার সরেজমিনে জানা গেছে, নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যাবলয়ে অবস্থান করছেন অফিস স্টাফরা। এছাড়া বুধবার সকাল থেকে সেখানে রয়েছেন বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন।

অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সকাল থেকে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করা হচ্ছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সারাদেশে জামায়াতের ডাকা হরতালকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টের মতো নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে পুলিশ।

কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবস্থান করা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি নিউজবাংলাদেশ.কমকে জানান, “কার্যালয় খোলার পর আবারও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আমাদের ১২ থেকে ১৩ নেতাকর্মীকে তারা আটক করেছে।  গত দুতিনদিন ধরেই কার্যালয়ের সামনে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সে জন্য দলীয় নেতাকর্মীরা গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছে।”

উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি ২০ দলের ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’কে সামনে রেখে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ৩ জানুয়ারি নয়াপল্টন কার্যালয় থেকে কর্মচারীদের বের করে দিয়ে সেখানে পুলিশ তালা ঝুলিয়ে দেয়। গত শুক্রবার দুপুরে কার্যালয়ের সামনে থাকা পুলিশ সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হয়।

এরপর গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তিন মাস বন্ধ রাখার পর দলের সহদপ্তর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীনের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা নয়াপল্টন কার্যালয়ের কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/আরআর/কেজেএইচ

নিউজবাংলাদেশ.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়