পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী তালিকায় জামায়াতের নাম বহাল, সংসদে বিল পাস
ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলাম পার্টির নাম বহাল রেখে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) অধ্যাদেশ সংশোধন করে আইনে রূপ দিতে বিল পাস হয়েছে জাতীয় সংসদে।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) সংসদের বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বিলটি উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
বিলটির বিরোধিতা করে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তবে তিনি বিলের কোন ধারায় সংশোধন চান, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করায় স্পিকার এ বিষয়ে ভোট দেননি।
এদিকে, জামায়াতের জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিলটির ওপর কোনো আপত্তি নেই বলে স্পিকারকে লিখিতভাবে জানিয়েছে।
এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অপরিবর্তিতভাবে বিল আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করে সংসদের বিশেষ কমিটি। ওই কমিটির প্রতিবেদনে নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে জামায়াতের এমপিরা জামুকা অধ্যাদেশের কিছু বিষয়ে আপত্তি তোলেন।
তাদের দাবি ছিল, অধ্যাদেশটি বর্তমান অবস্থায় পাস হলে মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলামের মতো দলগুলোকে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত করা যুক্তিযুক্ত হবে না।
এছাড়া ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ ও মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞা সংশোধনের প্রস্তাবও দেয় দলটি। তাদের মতে, ২০০২ সালের আইনে এসব দলকে সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি এবং রাজনৈতিক দলকে এভাবে চিহ্নিত করা অনুচিত।
আরও পড়ুন: সংসদের অধিবেশন থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট
উল্লেখ্য, এই অধ্যাদেশে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, সহযোগী ও সংশ্লিষ্ট পরিবার এবং মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য সংক্রান্ত সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি








