ধোঁয়াশায় কামারুজ্জামানের সিদ্ধান্ত
ঢাকা: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মানবতাবিরোধী অপরাধী জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামান রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমা চাইবেন কিনা তা এখন কার্যত ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে শুক্রবার সকালে দুইজন ম্যাজিস্ট্রেট কারাগারে গেলেও বের হওয়ার সময় তারা গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি। সিনিয়র জেলসুপার ফরমান আলীও এ বিষয়ে মুখ খুলছেন না।
রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমা প্রার্থনার বিষয়ে কামারুজ্জামানের সিদ্ধান্ত জানতে শুক্রবার সকাল নয়টা ৪০ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে যান ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ ও মাহমুদ জামিল। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তারা বের হয়ে যান। কিন্তু এসময় তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি। এর কিছুক্ষণ পরে দুপুর ১২টার দিকে বের হয়ে যান সিনিয়র জেলসুপার ফরমান আলী। তিনিও সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।
এতে করে কামারুজ্জামান ক্ষমা চাইবেন কিনা তা নিয়ে ধোয়াশা তৈরি হয়।
ফরমান আলী বেরুনোর পর ১২টা ১০ মিনিটে নিউজবাংলাদেশের পক্ষ থেকে ফোন করা হয় কামারুজ্জামানের ছেলে হাসান ইকবাল ওয়ামিকে। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে দেখা করার জন্য বলেছে কিনা। তিনি বলেন, “না, এখনো কারা কর্তৃপক্ষ থেকে কিছ বলা হয়নি।”
এর আগে বৃহস্পতিবার কামারুজ্জামানের আইনজীবীরা তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি বিষয়টি নিয়ে আরো ভাববেন বলে জানান। পরে দুপুরে এ বিষয়ে জানতে একজন ম্যাজিস্ট্রেট যান কারাগারে। তখন কামারুজ্জামান তার কাছে আরো একদিনের সময় চেয়ে নেন।
সে অনুযায়ী শুক্রবার সিদ্ধান্ত জানানোর কথা। স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রীও বলেছেন, শুক্রবারের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
এর আগে বুধবার কামারুজ্জামানকে চূড়ান্ত রায়ের কপি পড়ে শোনানোর পর তিনি রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমা চাইবেন কিনা তা জানতে চাইলে কামারুজ্জামান এ জন্য একদিনের সময় নিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল কামারুজ্জামানের রায়ের রিভিউ আবেদন শুনানি শেষে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। এর আগেই আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ের পর প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে মৃত্যুপরোয়ানা জারি ও তা কামারুজ্জামানকে পড়ে শোনানো হয়। পরে রিভিও আবেদনের প্রেক্ষিতে তা স্থগিত হয়ে যায়।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এনএইচ/এফএ
নিউজবাংলাদেশ.কম








