News Bangladesh

|| নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৫:২৬, ৫ এপ্রিল ২০১৫
আপডেট: ১৯:৫০, ১৭ জানুয়ারি ২০২০

খালেদার জামিন, হাজিরা দিতে হবে না

খালেদার জামিন, হাজিরা দিতে হবে না

ঢাকা: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জামিন পেলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ব্যক্তিগত হাজিরা থেকেও অব্যাহতি দেয়া হয়েছে তাকে। 

রোববার বেলা ১১টার দিকে তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু আহমেদ জমাদ্দার এ আদেশ দেন।

সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে ঢাকার বকশিবাজারে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাসে জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। মামলার পরবর্তী তারিখ ৫ মে নির্ধারণ করেছেন আদালত।

এদিন তিন মাসেরও বেশি সময় পর হাজিরা দিতে আদালতে যান খালেদা জিয়া। আদালতের গ্রেপ্তার আদেশ থাকলেও এর আগের ধার্য তারিখ ৪ মার্চ হাজিরা দিতে যাননি তিনি। ওই তারিখে তার আইনজীবীরা গ্রেপ্তার আদেশ প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছিলেন। তবে বিচারক তা নামঞ্জুর করেন।

ওই তারিখের আগের ‍দিন ৩ মার্চ বিএনপি চেয়ারপারসনের উদেষ্টা ও তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছিলেন, “পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পেলে ও আবার নিজ কার্যালয়ে ফিরে যাওয়ার নিশ্চয়তা পেলে তিনি (খালেদা) আত্মসমর্পণ করবেন।”

কিন্তু গ্রেপ্তার আদেশ মাথায় নিয়েই তিনি কার্যালয়ে অবস্থান করেন। ৪ মার্চের তারিখেও আত্মসমর্পণ করেননি তিনি।

২৫ ফেব্রুয়ারি আদালত গ্রেপ্তারের আদেশ দেয়ার পর ৩৯ দিন কেটে গেলেও ওই আদেশের কপি সংশ্লিষ্ট থানায় পৌঁছেনি। অবশেষে রোববার ধার্য তারিখে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।

২৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া আদালতে অনুপস্থিত থাকলে বিচারক তাকে গ্রেপ্তারের আদেশ দেন। এর আগের তারিখে খালেদা জিয়াকে আদালতে উপস্থিত করতে আইনজীবীদেরকে মৌখিকভাবে আদেশ দিয়েছিলেন বিচারক। আইনজীবীরাও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত দিনে উপস্থিত না থাকায় আদালত গ্রেপ্তারের আদেশ দেন।

এর এক মাস আগে খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো মারা যান। ওই শোকের মধ্যেই গ্রেপ্তারের আদেশ আসে। তবে ৩৯ দিনেও তা থানায় পৌঁছেনি। এবার যখন সিটি নির্বাচনের হাওয়া বইছে এবং বিএনপির নেতারাও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ঠিক এ মুহূর্তে জামিন পেলেন খালেদা জিয়া। অন্যদিকে দলের নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ও খুলে দেয়া হয়েছে। তবে কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ ও জলকামান রয়েছে।

উল্লেখ্য, ৪ মার্চ গ্রেপ্তার আদেশ প্রত্যাহারের আবেদনের ওপর শুনানিকালে আদালত জানান, খালেদা জিয়া ৬৩ কার্যদিবসে মাত্র সাতদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতির আবেদনও করেননি।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এফএ

নিউজবাংলাদেশ.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়