আগাম জামিন নিতে হাইকোর্টে মির্জা আব্বাস
ঢাকা: আগাম জামিন নিতে সোমবার হাই কোর্টে গেছেন নগর বিএনপির আহবায়ক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি এখন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেনের কক্ষে অবস্থান করছেন।
তিনটি মামলায় মির্জা আব্বাসের আগাম জামিনের আবেদনের শুনানি সোমবার দুপুর আড়াইটায় হওয়ার কথা রয়েছে। বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের হাই কোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনগুলোর শুনানি হবে।
শুনানিতে উপস্থিত থাকতেই বেলা সাড়ে ১২টার দিকে অনেকটা গোপনেই হাই কোর্টে প্রবেশ করেন মির্জা আব্বাস। তিনি গ্রেফতার এড়াতে খন্দকার মাহবুবের কক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মির্জা আব্বাসের জামিন শুনানি হওয়ার কথা ছিল সকালেই। তার আইনজীবী মাহবুবউদ্দিন খোকন অন্য বেঞ্চে খালেদা জিয়ার তিন মামলার রুল শুনানি থাকার কথা উল্লেখ করে দুপুরে শুনানির আবেদন জানান। পরে আড়াইটায় শুনানির সময় নির্ধারণ করেন হাইকোর্ট।
রোববার আবেদনগুলো উপস্থাপন করেন খন্দকার মাহবুব হোসেন।
বাসে অগ্নিসংযোগ ও বিস্ফোরণের অভিযোগ ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর পল্টন থানায়, একই বছরের ৬ মার্চ প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের পক্ষ থেকে শাহবাগ থানায় এবং বিস্ফোরক আইনে চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি মতিঝিল থানায় দায়ের করা তিন মামলায় এ আগাম জামিনের আবেদন করা হয়েছে।
তবে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে বর্তমানে ৩৭টি মামলা রয়েছে বলে তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
গত ৭ এপ্রিল সিটি নির্বাচনের প্রার্থীদের আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টের একই বেঞ্চে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন।
ওইদিন খন্দকার মাহবুব সাংবাদিকদের বলেন, কিছু সময় ধরে আগাম জামিন দিচ্ছেন না হাইকোর্ট। আমরা আদালতে বলেছি, যারা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন তাদেরকে নির্বিঘ্নে প্রচারণার জন্য অন্তত নির্বাচনের দিন পর্যন্ত যেন আগাম জামিন দেয়া হয়।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন, সাবেক সভাপতি এজ মোহাম্মাদ আলী, সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন ও বারের বর্তমান সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ বিএনপিপন্থি সিনিয়র আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
বিএনপি মনে করছে মির্জা আব্বাস হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিলে নির্বাচনী কাজে প্রচারণা করতে কোনো সমস্যা হবে না। তিনি এখনও কোনো মামলায় গ্রেফতার নন।
মির্জা আব্বাসের আগাম জামিনের বিষয়ে এর আগে হাই কোর্টে মৌখিকভাবে জানিয়েছিলেন সুপ্রিমেোর্ট বারের সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন। হাইকোর্ট সেসময় যথাযথ আবেদন নিয়ে আসার কথা বলেছিলেন।
নিউজবাংলাদেশ/এফই
নিউজবাংলাদেশ.কম








