News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৯:০০, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

হাজারীবাগে বেঙ্গল লেদার কমপ্লেক্সে আগুন, চার ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণ

হাজারীবাগে বেঙ্গল লেদার কমপ্লেক্সে আগুন, চার ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণ

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় বহুতল বেঙ্গল লেদার কমপ্লেক্স ভবনে অবস্থিত একটি জুতার গুদাম ও সংশ্লিষ্ট কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনায় ভবনটিতে থাকা জুতার গুদাম, গার্মেন্টস ও লেদার কারখানাসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
 
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভোরের দিকে আগুন লাগার এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট টানা প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ভোর চারটার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাঁচটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রথম দফায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা সেখান থেকে ফিরে যান। তবে পরবর্তীতে ভবনের ভেতরে ছাইচাপা অংশ থেকে আবারও আগুনের সৃষ্টি হয় এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুনরায় পাঁচটি ইউনিট এসে আগুন নেভাতে কাজ শুরু করে। এতে কিছুটা সময় ও বেগ পেতে হলেও শেষ পর্যন্ত আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।

জানা গেছে, হাজারীবাগের ওই বহুতল ভবনে একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি গার্মেন্টস, একটি জুতার কারখানা, লেদার কারখানা এবং ঝুট ও জুতার গুদামও রয়েছে। কর্মচারী ও স্থানীয়দের ধারণা, ভবনের চারতলায় থাকা একটি কারখানা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। ভোর ছয়টার কিছু আগে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে তারা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে যাত্রীবাহী বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১০

ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি এবং ভেতরে কেউ আটকা পড়েননি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে ভবনের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। মালিকপক্ষ জানিয়েছে, হিসাব-নিকাশ শেষ হলে ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ জানানো হবে।

আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে।

একাধিক প্রতিষ্ঠান থাকায় আগুনের কারণ নিয়ে মালিকদের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে। পরে তারা নিজেদের মধ্যে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন।

এদিকে কর্মচারীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে আগুন ছড়িয়ে যাওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। তবুও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করে প্রয়োজনীয় কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়