News Bangladesh

|| নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৮:০১, ১৩ এপ্রিল ২০১৫
আপডেট: ০৩:৩৩, ১৯ জানুয়ারি ২০২০

ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের সাত কর্মকর্তার ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের সাত কর্মকর্তার ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

ঋণ জালিয়াতির দায়ে সাবেক ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের সাত শীর্ষ কর্মকর্তাকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি আসামিদের মোট এক কোটি ৯০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ঢাকার দুই নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক হোসনে আরা বেগম সোমবার এই রায় ঘোষণা করেন। জরিমানার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে বলা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের প্রিন্সিপল অফিসের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহ মো. হারুন, সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আবুল কাশেম মাহমুদুল্লাহ, অ্যাসিসট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. ফজলুর রহমান ও মোহাম্মদ তারিকুল আলম, ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদ হোসেন, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট কামরুল ইসলাম ও সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা (ডিজিএম) পরিচালক ইমামুল হক।

আসামিরা সবাই পলাতক। তারিকুল আলম ছাড়া বাকি কর্মকর্তাদের কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির আরেকটি মামলায় গতবছর ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আমিনুল ইসলাম সাত বছর করে কারাদণ্ড এবং ১৪ লাখ টাকা জরিমানা করেন।

মতিঝিল থানায় ২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় বলা হয়, ২০০৫ সালের ২৭ জুলাই ‘মেসার্স তানবীর এজেন্সি’ নামে একটি ‘অস্তিত্বহীন’ প্রতিষ্ঠানের নামে ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের বাবুবাজার ইসলামপুর শাখায় এক কোটি টাকা ঋণের আবেদন করা হয়।

ওইদিনই শাখা থেকে প্রধান কার্যালয়ে ঋণ প্রস্তাব পাঠানো হয় এবং প্রধান কার্যালয় ৯৫ লাখ টাকার ঋণ অনুমোদন করে। সেই ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণের অর্থ জমা দেখিয়ে আসামিরা নিজেদের মধ্যে যোগসাজশে তা আত্মসাৎ করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫-০৬ সালে ওরিয়েন্টাল ব্যাংক থেকে আনুমানিক ৩৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এ অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় মোট ৩৪টি মামলা দায়ের হয়, যার আটটিতে ২০১৩ সালে  অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

২০০৯ সালে ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের নাম বদলে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক করা হয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসজে

নিউজবাংলাদেশ.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়