ভোটের পরিবেশে সন্তুষ্ট, তবে শঙ্কা কাটেনি মির্জা আব্বাসের
ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-৮ আসনের ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও ফলাফল নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে শাহজাহানপুরের ‘মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ’ কেন্দ্রে নিজের ভোট প্রদান শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই প্রতিক্রিয়া জানান।
ভোটদান পরবর্তী আলাপকালে মির্জা আব্বাস বলেন, বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ, ভালো ও সুষ্ঠু রয়েছে। এখন পর্যন্ত এমন কোনো পরিস্থিতি আমার চোখে পড়েনি যা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়।
তবে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নিজের শঙ্কার কথা জানিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, কোনো ধরনের কারচুপি বা ‘ইঞ্জিনিয়ারিং করা’ ফলাফল কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ভোট কারচুপি এবং ফলাফল পরিবর্তনের ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে আমার শঙ্কা সবসময়ই ছিল এবং এখনো আছে। আমরা চাই জনগণের প্রকৃত রায় প্রতিফলিত হোক।
আরও পড়ুন: ‘ভোট বর্জনের পরিকল্পনা নেই, ব্যালটে হবে নীরব ভোট বিপ্লব’
নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এই হেভিওয়েট প্রার্থী বলেন, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট সবার নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন এবং নিজের জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করেন।
এদিকে, একই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও এনসিপি’র মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মির্জা আব্বাস বিস্ময় প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, এ ধরনের কোনো ঘটনার কথা তার জানা নেই।
তিনি বলেন, আমি এই এলাকায় পাঁচ থেকে ছয়বার নির্বাচন করেছি, কিন্তু এমন অভিযোগ আগে কখনো শুনিনি।
অন্যদিকে, এনসিপি প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী (প্রতীক: শাপলা কলি) পাল্টা মন্তব্য করে বলেন, ভোটের মাঠে শাপলা প্রতীকের গণজোয়ার দেখে অনেকে শঙ্কিত হয়ে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
সব প্রার্থীকে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভয় পাবেন না, খেলার মাঠে ৯০ মিনিট থাকুন। এটি একটি টেস্ট ম্যাচ, তাই মাঠ ছেড়ে উঠে যাওয়া ঠিক হবে না।
উল্লেখ্য, মতিঝিল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত এই আসনটি রাজনৈতিক কারণে সারা দেশের মানুষের কাছে বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি








