News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৯:৪১, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬

ভূঞাপুরে ভোট কিনতে গিয়ে তোপের মুখে জামায়াত নেতা

ভূঞাপুরে ভোট কিনতে গিয়ে তোপের মুখে জামায়াত নেতা

ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নে ভোটারদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণের অভিযোগে স্থানীয় জনতার ক্ষোভের মুখে পড়েছেন জামায়াত নেতা কাজী নূরুল ইসলাম।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার জগৎপুরা এলাকায় জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে ভোটারদের টাকা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে, যা পরবর্তীতে মারামারি ও পাল্টাপাল্টি মামলা পর্যন্ত গড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে ভূঞাপুর ফাজিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক ও জামায়াত নেতা কাজী নূরুল ইসলাম এবং উপজেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলমসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী জগৎপুরা এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় যান। 

অভিযোগ উঠেছে, প্রচারণা চলাকালে তারা ভোটারদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি হাতে পাঁচশ ও এক হাজার টাকার নোট উঁচিয়ে দাবি করছেন জামায়াত নেতারা ভোটের জন্য এই টাকা তাদের দিয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ জনতা জামায়াত নেতাদের ঘিরে ধরে প্রতিবাদ জানায়।

এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বুধবার বিকেলে ভূঞাপুর প্রেসক্লাবে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা হুমায়ুন কবির। 

আরও পড়ুন: ঝিনাইগাতীতে ইশতেহার পাঠে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৯০

তিনি অভিযোগ করেন, এটি একটি সাজানো নাটক। জামায়াত নেতাকর্মীদের জনসমক্ষে হেয় করতেই পরিকল্পিতভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মাওলানা হুমায়ুন কবির বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা ভোট চাইতে গেলে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বাধা সৃষ্টি করে। তারা নিজেদের পকেট থেকে টাকা বের করে জামায়াতের নামে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ সময় তিনি ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের শাস্তির দাবি করেন। 

সংবাদ সম্মেলন শেষে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

জামায়াত নেতাদের দাবি অনুযায়ী, টাকা বিতরণের মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। 

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা নেতাকর্মীদের মারধর করে তাদের গলার মাফলার টেনে ছিঁড়ে ফেলে এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এই হামলার ঘটনায় জামায়াত নেতা রবিউল আলম তালুকদার বাদী হয়ে স্থানীয় কয়েকজনের নামে ভূঞাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে, ভিডিও ভাইরাল হওয়া এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ফলে পুরো উপজেলায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়