সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ঘটনা সাজানো নাটক: জামায়াত
ছবি: সংগৃহীত
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির টাকাসহ আটকের ঘটনা সাজানো নাটক বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এসব কথা বলেন।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, আজ ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে যাওয়া আমাদের ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে টাকাসহ আটকের বিষয়টি সাজানো নাটক। আমাদের দায়িত্বশীল বিষয়টি ক্লিয়ার করেছেন।
জুবায়ের বলেন, উনি ওনার টাকা নিয়ে বিমানে যাওয়া সেফ মনে করেছেন। উনি ওনার টাকা নিয়ে যেতেই পারেন। এইসব সাজানো নাটক। জামায়াতকে বিতর্কিত করতেই এমন কাজ করা হচ্ছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এইসব নিয়ে বানোয়াট নিউজ করছে। পেছনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটা অংশ জড়িত। এয়ারপোর্টের মতো জায়গায় এরকম একটি নাটক সাজানো।
আরও পড়ুন: ৫০ লাখ টাকাসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াত আমির আটক
তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিমানবন্দর থেকে এ বিষয়ে অনাপত্তি দেওয়া হয়েছে। টাকা পরিবহণ করতে কোনো সমস্যা নেই বলেই ঢাকা বিমানবন্দর ছাড়পত্র দিয়েছে। যেখান থেকে স্টার্ট করেছেন সেখানে তারা ক্লিয়ার করেছে। ঢাকাতে সমস্যা হয়নি। সেখানে বিষয়টিকে সাজানো নাটক হিসেবে উপস্থাপন করেছে।
জামায়াতের প্রচার বিভাগের প্রধান বলেন, বর্তমানে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁকে রংপুর মেডিকেলে নেওয়া হচ্ছে। আমাদের কাজ হলো তাঁকে মুক্ত করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনা। আর তিনি সুস্থ হলেই সব বিষয়ে আরও বিস্তারিত বলবেন।
জুবায়ের বলেন, এক দল লোক জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়ে এমন কাজ করাচ্ছে। একের পর এক আমাদের প্রার্থী, নেতৃবৃন্দ, এজেন্টের ওপর হামলা করছে। একেবারে সন্ত্রাসী হামলা করছে। আমাদের বিভিন্ন নির্বাচনি অফিসে হামলা চালাচ্ছে। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও হামলা করছে।
জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আমরা লিফলেট বিতরণ করছি আর তারা বলছে আমরা টাকা দিচ্ছি। গতকাল পাবনা সদরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে মাইকিং হয়েছে। যেখানে আমাদের কর্মী এজেন্টদের নাম বলছে। পরবর্তীতে আমরা নির্বাচন কমিশন, রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানালে তারা বলছে তারা জানে না। পরবর্তীতেও আমাদের জানায় নাই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নামে আমাদের এজেন্টদের সরিয়ে দিচ্ছে, ভয় দেখাচ্ছে।
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, গতকাল মৌলভীবাজার-১ আসনে আমাদের নির্বাচনি কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে। সবাই এখন বিভিন্ন হাসপালে আছে। তাদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করেছি। এই বিষয়গুলো জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপারকে জানিয়েছি। একটি দল এই কাজগুলো করছে। মনে হচ্ছে তারা সাহস হারিয়ে ফেলেছে। যার কারণে তারা এমন কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছে।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরও বলেন, কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির যিনি প্রার্থী ছিলেন তার নাম জানেন। তিনি কীভাবে হুমকি দিয়েছেন। ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেবেন। তারা সময়িক একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু আমাদের জানা মতে এখনও তারা বড় কোনো ব্যবস্থা নেন নাই। প্রশাসনের একটা অংশ এক দিকে হেলে পড়েছে। এক দলকে সুবিধা দিচ্ছে। গত ১৫ বছরের মতো করতে যাচ্ছে।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি








