News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৬:৪৪, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

রবিবার ইসিতে উপস্থাপিত হবে তারেক-জাইমার ভোটার নথি

রবিবার ইসিতে উপস্থাপিত হবে তারেক-জাইমার ভোটার নথি

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমানের ভোটার হওয়ার প্রক্রিয়া আগামী রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। 

তিনি বলেন, গুলশান এলাকার নির্বাচনী ওয়ার্ডে ভোটার নিবন্ধনের সব আনুষ্ঠানিকতা ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে, তফসিল ঘোষণার পর নতুন করে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন। তাই রোববার কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিনিয়র সচিব জানান, ভোটার নিবন্ধনের অংশ হিসেবে ফরম পূরণ, ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ ও স্বাক্ষর) গ্রহণসহ সকল প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ভোটার তালিকা আইন ২০০৯-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার রয়েছে যে কোনো যোগ্য ও প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার। সে বিবেচনায় তাদের নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

আখতার আহমেদ আরও বলেন, নিবন্ধন সম্পন্ন হলেও তফসিল ঘোষণার পর নতুনভাবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন। সেই কারণে তারেক রহমান ও জাইমা রহমানের ভোটার হওয়ার নথি রোববার কমিশনে উপস্থাপন করা হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ভোটার হলেন তারেক রহমান ও জাইমা

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আজই তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর তৈরি হয়ে যেতে পারে। তবে নিবন্ধনের তথ্য সিস্টেমে আপলোডের পর ফিঙ্গারপ্রিন্ট, স্বাক্ষর ও ফেস আইডির মিল যাচাইসহ প্রযুক্তিগত কিছু ধাপ সম্পন্ন করতে সময় লাগে। এসব যাচাই-বাছাই শেষ হলে এনআইডি নম্বর চূড়ান্তভাবে দেওয়া হবে।

রবিবার নথি উপস্থাপনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে আখতার আহমেদ বলেন, বিষয়টি পূর্ণ কমিশনের অনুমোদনের সঙ্গে সম্পর্কিত। কমিশন চাইলে আনুষ্ঠানিক সভার মাধ্যমে অথবা নথিভিত্তিক প্রক্রিয়ায় অনুমোদন দিতে পারে। কোন পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত হবে, তা কমিশনের এখতিয়ার।

এদিকে, শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) এনআইডি উইংয়ের ডিজি এ এস এম হুমায়ুন কবীর জানান, আঙুলের ছাপ, চোখের মণির (আইরিশ) প্রতিচ্ছবি ও বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদানের পর সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তারেক রহমানের এনআইডি প্রস্তুত হয়ে যাবে। 

তিনি বলেন, তথ্য প্রদানের পর ডেটাবেজে এনআইডি নম্বর জেনারেট হতে কিছুটা সময় লাগে, যা সম্পূর্ণ সফটওয়্যারভিত্তিক প্রক্রিয়া। অনুমোদন হয়ে গেলে এবং নম্বর জেনারেট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তার এনআইডি প্রস্তুত হয়ে যাবে।

এর আগে, শনিবার দুপুর ১টায় তারেক রহমান আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রবেশ করেন এনআইডি রেজিস্ট্রেশনের জন্য। এদিন তার কন্যা জাইমা রহমানও এনআইডির জন্য আবেদন করেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর তিন মাস নির্বাসন শেষে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়