News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৯:৪০, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বড়দিনে খ্রিস্টান নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধান উপদেষ্টার

বড়দিনে খ্রিস্টান নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধান উপদেষ্টার

ছবি: সংগৃহীত

বড়দিন উপলক্ষ্যে দেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। 

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, বাংলাদেশের ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ, ন্যাশনাল ক্রিশ্চিয়ান ফেলোশিপ অব বাংলাদেশের সভাপতি বিশপ ফিলিপ পি অধিকারী, খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ড. বেনেডিক্ট আলো ডি রোজারিও, জাতীয় চার্চ পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি খ্রিস্টোফার অধিকারীসহ দেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতারা তাদের বক্তব্যে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বিশ্বব্যাপী সুনাম ও দেশের অর্থনীতি ও সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়নে তার অবদানকে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আয়োজন করা সম্ভব হবে।

আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, যিশু খ্রিস্টের ক্ষমা ও মানবসেবার আদর্শকে সামনে রেখে, বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষও এই বছর উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে বড়দিন উদযাপন করছে। 

আরও পড়ুন: বাজেট প্রণয়নে মানসম্মত শিক্ষা ও স্বনির্ভরতা জোরদারের নির্দেশ

প্রধান উপদেষ্টাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের মানুষ আপনাকে বিশ্বাস করে দেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে দায়িত্ব দিয়েছেন। আপনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। প্রার্থনা করি, একটি শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আপনার প্রচেষ্টা সফল হবে।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে বলেন, আপনারাই সমাজের প্রতিবিম্ব। আপনাদের উপস্থিতি দেখলেই বোঝা যায়, সমাজে সবকিছু ঠিক আছে কি না। 

তিনি আরও বলেন, আমরা একটি সুস্থ ও উন্নত সমাজ গড়ে তুলতে চাই। সেই লক্ষ্যে গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে জুলাই সনদ প্রস্তুত করা হয়েছে। এই সনদের ওপর গণভোটের মাধ্যমে দেশ আরেক ধাপ এগোবে।

তিনি আরও জানালেন, এবারের নির্বাচনের সঙ্গে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। জনগণ গণভোটে যে রায় দেবেন, পরবর্তীতে সংসদ সেই অনুযায়ী সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করবে। পাশাপাশি তিনি ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে আসন্ন নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে বিশেষ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, বড়দিন উপলক্ষ্যে খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে আড়াই কোটি টাকা অনুদান দেয়ার জন্য অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানানো হয়। ট্রাস্টের নেতৃবৃন্দ জানান, এই অনুদান দেশের ৮০০টি চার্চে তিন ধাপে বিতরণ করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে বড়দিন উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টা এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ কেক কাটেন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়