News Bangladesh

|| নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৯:১৯, ১৩ এপ্রিল ২০১৫
আপডেট: ০৩:৩৩, ১৯ জানুয়ারি ২০২০

বাংলা নববর্ষ পালনে হোটেলগুলোও প্রস্তুত

বাংলা নববর্ষ পালনে হোটেলগুলোও প্রস্তুত

বাংলা নববর্ষ উদযাপনে ঢাকার হোটেলগুলোও প্রস্তুতি নিয়েছে। দিনটিকে উপভোগ্য করতে ইতোমধ্যে তারা দেশি খাবারের হরেক পরিবেশনাসহ সম্পন্ন করেছে নানা আয়োজন।

ঢাকার কয়েকটি তারকা হোটেলের বৈশাখী আয়োজনের কথা জানিয়েছেন হোটেল কর্তৃপক্ষ। দিনটি উপলক্ষে সাজসজ্জা ও খাবার পরিবেশনে দেশি ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

হোটেল র‍্যাডিসন: অতিথিদের জন্য কাল দুপুর ও রাতে তারা বুফের আয়োজন করেছে। বুফেতে থাকবে নানা ধরনের মাছ ও সবজির ভর্তা। থাকছে সর্ষের সসে ইলিশ ভাজা। থাকবে পাবদা মাছের কোপ্তা কারি, গরু ও খাসির মাংসের কাবাব, কাঁচা আমের ডাল, কাজু বাদাম দিয়ে মুরগি ভুনা, চিংড়ির মসলা কারি এবং অন্যান্য মজাদার খাবার।

হোটেল রেডিসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈশাখে আগতদের জন্য মিষ্টি জাতীয় নানা খাবার থাকবে। এর মধ্যে জিলাপি, রসগোল্লা, রসমালাই, সন্দেশ, কদমা, বুন্দিয়া, অমৃতি, চমচম, গজা, পিঠা, দইচিড়া ইত্যাদি। বুফেতে জনপ্রতি খরচ পড়বে তিন হাজার ৬০০ টাকা।

দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা: অতিথিরা হোটেলে এসে মুখরোচক নানা বাঙালি খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন। সেই সঙ্গে মুখমণ্ডলে আঁকা ও আনন্দের মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দী করার ব্যবস্থা থাকছে।

হোটেলের ‘সিজনাল টেস্ট’ এ রেস্টুরেন্ট অতিথিদের জন্য নানা ধরনের বাঙালি খাবারের পসরা বসবে। বুফেতে থাকবে বিভিন্ন ধরনের ভর্তা, পোলাও, ইলিশসহ দেশি খাবারের আয়োজন।

পাঁচ তারকা হোটেলগুলোতে পয়লা বৈশাখ উদযাপনের ব্যবস্থা নেয়া হয় আগে থেকেই।  মঙ্গল শোভাযাত্রা অথবা মেলা ঘুরে ক্লান্ত অনেকেই এখানে লাঞ্চ কিংবা ডিনারের জন্য আসেন। হোটেলের অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জাতেও থাকে বাঙালিয়ানার ছাপ। রাংতা কাগজে বানানো রঙিন ফেস্টুন আর তাজা ফুল দিয়ে সুন্দর করে সাজানো হয়। টেবিল অথবা দেয়ালগুলোতে থাকে শুভেচ্ছাবার্তাস্বরূপ কোনো কবিতার লাইন কিংবা শ্লোক।  কোনো কোনো হোটেলের বাইরে আলোকসজ্জাও হয়। হোটেলে অবস্থানরত বিদেশি অতিথিরা এদিন বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হয় এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে। গরম ও ধুলোবালির কথা ভেবে যাদের অনেকেই হয়তো চারুকলা অথবা রমনার বটমূলে যেতে পারেন না, তারাই নিরাপদ ও আরামদায়ক এই ভেন্যু বেছে নেন পয়লা বৈশাখ উদ্যাপনের জন্য।

রাজধানীর বিভিন্ন পাঁচ তারকা হোটেলের নিজস্ব কিছু ক্লাব থাকে। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে এসব ক্লাবের সদস্যদের পাঠানো হয় শুভেচ্ছাবার্তাসহ মনোরম কার্ড। কখনো আবার সঙ্গে জুড়ে দেয়া হয় ছোট্ট একটা উপহার। ক্লাবের সদস্যদের জন্য এদিন হোটেল সার্ভিসে বেশ কিছু ছাড় কিংবা নতুন অফার দেয়া হয়। পয়লা বৈশাখের এই আয়োজন যে কেবল বছরের প্রথম দিনটির জন্যই নির্ধারিত থাকে, তা নয়। এসব সাজসজ্জা, বাঙালি খাবারের বিশেষ আয়োজন কিংবা সাংস্কৃতিক বিশেষ অনুষ্ঠানমালা চলে প্রায় সপ্তাহজুড়ে। পয়লা বৈশাখের সপ্তাহ খানেক আগে এসব হোটেলের হটলাইন নম্বরগুলোতে ফোন করলেই অনুষ্ঠানগুলো সম্পর্কে জানা যাবে বিস্তারিত।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসজে/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়