News Bangladesh

আইন-আদালত ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৪:৫৯, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে শোকজ

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে শোকজ

ছবি: সংগৃহীত

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করায় তদন্ত কর্মকর্তাকে শোকজ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে কারণ ব্যাখ্যা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম রাসেল।

এদিন মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ নির্ধারিত থাকলেও তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করেননি। পরে আদালত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ হিসেবে আগামী ১ এপ্রিল নির্ধারণ করেন। এ নিয়ে আলোচিত এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৪ বার পেছানো হলো।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে রাজধানীর নিজ বাসায় হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রথমে মামলাটির তদন্তভার ছিল সংশ্লিষ্ট থানার এক সাব-ইন্সপেক্টরের হাতে। হত্যার চার দিন পর মামলাটি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়। তবে দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করেও ডিবি রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল মামলার তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলাটির তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে এবং র‌্যাবকে তদন্ত থেকে সরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়।

এর পর ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।

আরও পড়ুন: সোমবার ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি

এই মামলার আসামিরা হলেন- রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ, এবং তাদের বন্ধু তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর রহমান খান জামিনে রয়েছেন। পলাশ রুদ্র পাল জামিনে মুক্তি পেয়ে পলাতক হয়েছেন। অপর আসামিরা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসবি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়