কেন কেউ আমাকে নিতে চায় না!
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হৃদয়ছোঁয়া একটি ছবিই বদলে দিল চেস্টারের জীবন। দীর্ঘ ৫ বছর ধরে খুঁজে ফেরা নিজের একটি ঘর শেষপর্যন্ত পেয়েই গেল সে। এ ঘটনা ঘটেছে ছয় বছর বয়সী শঙ্কর প্রজাতির কুকুর পিটবুল চেস্টারের জীবনে। যে কী না দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে নিজের একটি আশ্রয় খুঁজে ফিরছিল।
আর চেস্টারের এই ঘর খুঁজে পেতে সবচেয়ে বেশি সহয়তা করেছে উত্তর ফর্ক অ্যানিমেল লীগ আশ্রয়কেন্দ্র। তারা চেস্টারের নামে ফেসবুকে একটি পেজ খুলে তাকে গ্রহণ করার জন্য আকুতি জানায়। এ সূত্রে অ্যানিমেল লীগ ফেসবুকে চেস্টারের একটি হৃদয়কাড়া ছবিও আপলোড করে।
ছবিতে দেখা যায় কুকুরটির গলায় একটি বোর্ড লাগোনো আছে যাতে প্রশ্নসূচক একটি বক্তব্য লেখা- “কেন কেউ আমাকে নিতে চায় না...” এতে আর ওবলা হয় গত ৫বছল যাবত সে অপেক্ষা করছে একটি আশ্রেয়ের জন্য।
মূলত এই ছবিটিই বদলে দেয় চেস্টারের জীবন। দ্রুতই এটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে। ছবির নিচে পড়তে থাকে অসংখ্য মন্তব্য, হতে থাকে শেয়ার। আর এভাবেই ছবিটি একদিন নজরে পরে ডরের।
ডর বলেন, “আমার বান্ধবী সেদিন সকালে চেস্টারের ছবিটি ফেসবুকে আপলোড করে। সেই সকালেই আমরা চেস্টারের কাছে যাই এবং এটা সত্যিই অসাধারণ ছিল। যদিও কুকুরটাকে বয়স্ক দেখাচ্ছিল, তারপরও সেটাই যেন আমাদের জন্য একদম ঠিক ছিল।”
টুডে.কম জানায়, ডর সেদিনই আশ্রয়কেন্দ্র থেকে চেস্টারকে বাড়িতে নিয়ে যান। আর এরে মধ্য দিয়েই চেস্টার খুঁজে পেল তার স্থায়ী আশ্রয়। এরপর ডরের পরিবার চেস্টারের নতুন জীবনের বেশ কয়েকটি ছবি ফেসবুকে দেয় যেখানে চেস্টারকে আগের চেয়ে আরো হাস্যোজ্জ্বল আর খুশি দেখাচ্ছে। বোঝা যাচ্ছে নতুন পরিবার তাকে বেশ সাদরেই গ্রহণ করেছে।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমা দেশগুলোতে সাধারণত মালিকবিহীন বেওয়ারিশ কুকুরদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে রাখা হয়।
নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএম/একে
নিউজবাংলাদেশ.কম








