News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১৩:৫০, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
আপডেট: ১৩:৫৬, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

নভেম্বরে সড়কে প্রাণ গেল ৫০৭ জনের, আহত ৮৯৯: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

নভেম্বরে সড়কে প্রাণ গেল ৫০৭ জনের, আহত ৮৯৯: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

প্রতীকী ছবি

বিদায়ী নভেম্বর মাসে দেশের গণমাধ্যমে ৫২৬ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫০৭ জন নিহত, ৮৯৯ জন আহতের তথ্য জানিয়েছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এই মাসে রেলপথে ৪৪ টি দুর্ঘটনায় ৪০ জন নিহত, ০১ জন আহতের তথ্য গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। 

তথ্যমতে, নৌ পথে ০৭ টি দুর্ঘটনায় নিহত ০৬ জন ও ০৪ জন নিখোঁজ রয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৫৭৭ টি দুর্ঘটনায় ৫৫৩ জন নিহত এবং ৯০০ জন আহত হয়েছে। এই সময়ে ১৯৫ টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২০১ জন নিহত, ১৭১ জন আহত হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৮.৬৯ শতাংশ, নিহতের ৪১.১০ শতাংশ ও আহতের ২০.৮২ শতাংশ। 

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য তুলে ধরে সংগঠনটি। দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ পথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

এই মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৫৫ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩২ জন নিহত ও ২৫৭ জন আহত হয়েছে, সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে সিলেট বিভাগে ১৯ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত ও ৮৯ জন আহত হয়েছেন। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ১২ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১১৩ জন চালক, ৯৭ জন পথচারী, ৪১ জন পরিবহন শ্রমিক, ৪৫ জন শিক্ষার্থী, ১২ জন শিক্ষক, ৮০ জন নারী, ৬০ জন শিশু, ০৫ জন চিকিৎসক, ০৫ জন সাংবাদিক, এবং ০৬ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে। এদের মধ্যে নিহত হয়েছে- ০৪ জন পুলিশ সদস্য, ০১ জন র‌্যাব সদস্য, ০১ জন সেনা সদস্য, ০৫ জন চিকিৎসক, ০১ জন সাংবাদিক, ১০৯ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৯৩ জন পথচারী, ৭১ জন নারী, ৫০ জন শিশু, ৪৩ জন শিক্ষার্থী, ১৮ জন পরিবহন শ্রমিক, ১২ জন শিক্ষক ও ০৬ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড

এই সময় সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠিত ৭৪৬ টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে। এতে দেখা যায়, ৩১.২৩ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২০.২৪ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৩.০০ শতাংশ বাস, ১৩.১৩ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিক্সা ও ইজিবাইক, ৭.১০ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ৯.১১ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, ৬.১৬ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।

সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪৮.৬৬ শতাংশ গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ২৫.৪৭ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৮.৫৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ৫.৮৯ শতাংশ বিবিধ কারনে, ০.৫৭ চাকায় ওড়না পেছিয়ে এবং ০.৭৬ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনের সংঘর্ষে ঘটে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৩৮.০২ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৪.৭১ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ৩০.২২ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৫.১৩ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.৭৬ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ০.৭৬ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এনডি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়