News Bangladesh

নিউজ ডেস্ক || নিউজবাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১২:০৪, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সৌদি আরবে ২০২৬ সালের হজ ভিসা ইস্যু শুরু, প্রস্তুতি জোরদার

সৌদি আরবে ২০২৬ সালের হজ ভিসা ইস্যু শুরু, প্রস্তুতি জোরদার

ফাইল ছবি

২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) হজ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুশৃঙ্খল করতে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসা ইস্যু শুরু করছে সৌদি আরব।

রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসা ইস্যু করার প্রক্রিয়া শুরু করে দেশটি।

দেশটির হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক ঘোষণায় জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে হজযাত্রীদের আগমনের কয়েক মাস আগেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন ও সেবার মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই আগাম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। 

নির্ধারিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২০ মার্চের মধ্যে ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাজিদের সৌদি আরবে আগমনের বহু আগেই সেবার মান নিশ্চিত করা এবং প্রস্তুতি কার্যক্রম সহজতর করা এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য।

২০২৬ সালের হজের জন্য প্রস্তুতি কার্যক্রম আগের বছর ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ৮ জুন থেকে শুরু হয়েছিল। হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী এটি ১৪৪৬ সালের ১২ জিলহজের সঙ্গে মিলেছে। সেই সময়ে বিশ্বজুড়ে হজ কার্যক্রম তদারককারী বিভিন্ন দপ্তরকে প্রাথমিক পরিকল্পনার নথি সরবরাহ করা হয়।

আরও পড়ুন: রমজান শুরুর সংশোধিত তারিখ জানাল আমিরাত

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদেশি হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে সব সেবার চুক্তি ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। পবিত্র মক্কা ও মদিনার আবাসনসহ অন্যান্য সেবা সম্পর্কিত চুক্তি ‘নুসুক’ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে প্রায় ৪৮৫টি ক্যাম্প বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ৭৩টি হজ অফিস তাদের প্রাথমিক চুক্তিগত প্রস্তুতি শেষ করেছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ পর্যন্ত প্রায় সাত লাখ ৫০ হাজার হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে নিজ নিজ দেশ থেকে সরাসরি ৩০ হাজার হজযাত্রী হজ প্যাকেজ বুক করেছেন। হজ প্রদর্শনী আয়োজনের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতাও জোরদার করা হবে।

বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীরা সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমে নিবন্ধন করলে, তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা কার্যক্রম সরকার অনুমোদিত হাসপাতাল এবং টিকাকেন্দ্রে সম্পন্ন করতে হবে। 

সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ফিটনেস সনদসহ সব স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রক্রিয়া শেষ করে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। 

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি বছর ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো হজযাত্রী হজে অংশ নিতে পারবে না।

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানায়, আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে হজযাত্রীদের প্রথম দল সৌদি আরবে পৌঁছাবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। মন্ত্রণালয় হজ কার্যালয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সূচি কঠোরভাবে মেনে সেবার মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে।

এবারের হজ প্রস্তুতি কার্যক্রমের লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সব হজযাত্রীকে নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও সম্মানজনকভাবে পবিত্র হজ সম্পন্ন করা। সব প্রাথমিক চুক্তি, আবাসন, পরিবহন ও অন্যান্য সেবার কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/পলি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়